1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘বিদেশে যৌন হয়রানির শিকার হয় নারী শ্রমিকরা'

বিদেশে নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে সেজন্য নারী শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে কী করা প্রয়োজন, সে সম্পর্কে ডিডাব্লিউ-র ফেসবুক পাতায় পাঠকদের পক্ষে বিপক্ষে বিভিন্ন মতামত উঠে এসেছে৷

ফেসবুক বন্ধু দেওয়ান বিদেশে নারী শ্রমিক পাঠানোর পুরোপুরি বিপক্ষে মত দিয়েছেন৷ বিপক্ষে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন, বেশিরভাগ নারী শ্রমিকই নাকি বিদেশে গিয়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়৷ আর তাই, তিনি পুরুষ শ্রমিক পাঠানোই সমর্থন করেন৷

শাহাদ রাজীবের মন্তব্য, ‘‘শিয়ালের কাছে মুরগি বরগা দিলে কী হয়? এটা পৃথিবীতে না জন্ম নিয়ে পেটের ভিতরে থাকাকালীনই আজকাল যে কোনো শিশু বলে দিতে পারে৷....কিন্তু আমাদের দেশের কিছু বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সবকিছু জেনেও চুপ আছে৷''

কামাল হাসান বলছেন, বাংলাদেশের সরকারকে অবশ্যই নারী শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্র ও থাকার নিশ্চয়তা দিতে হবে৷ এছাড়া সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়া যেন কোনো নারী শ্রমিককে বিদেশে পাঠানো না হয়, সে বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিতে হবে৷ অর্থাৎ চাকরি, যোগ্যতা, বাসস্থান সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার পরেই যেন তাদের পাঠানো হয়৷ অর্থাৎ নারী শ্রমিকদের বিদেশে পাঠিয়ে যেন অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া না নয়৷

ডিডাব্লিউ-র ফেসবুক বন্ধু জয় মশিউর, মাহফুজ আনাম, কায়সার আহমেদ, নাজমা খুকি, নাসিম পাটোয়ারী, মাইনুল জয় সহ অনেকেই বন্ধু কামরুল হাসানের এই মতের সাথে পুরোপুরি একমত পোষন করেন বলে জানিয়েছেন৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন