1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিদেশি বংশোদ্ভূত মানুষও আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি: ভুল্ফ

পুনরেকত্রীকরণের ২ দশক পূর্তি উপলক্ষ্যে আজ জার্মানিতে পালিত হচ্ছে উৎসব৷ রাজধানী বার্লিন নয় – রীতি মেনে প্রতি বছর কোনো না কোনো রাজ্যের রাজধানীতে পালিত হয় মূল উৎসব৷

default

জার্মান প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিয়ান ভুল্ফ

জার্মান সংসদের উচ্চকক্ষ বুন্ডেসরাটের বর্তমান সভাপতি নগর-রাজ্য ব্রেমেন৷ সেখানে প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিয়ান ভুল্ফ আজ ভাষণ দেন৷ উপস্থিত ছিলেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল সহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি৷

এবছরের প্রেসিডেন্টের ভাষণ কতটা ঐতিহাসিক হতে চলেছে, তা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা ছিল৷ গতানুগতিক বিষয়গুলি ছাড়াও তিনি একেবারে নতুন কোনো কথা বলবেন কি না, তা জানার আগ্রহও কম ছিল না৷ প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রিস্টিয়ান ভুল্ফ দুই জার্মানির পুনরেকত্রীকরণের স্থপতিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান – যে তালিকায় রয়েছে তৎকালীন চ্যান্সেলর হেলমুট কোল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হান্স ডিট্রিশ গেনশার, সোভিয়েত নেতা মিখায়েল গর্বাচভের নাম৷ সাবেক পূর্ব জার্মানিতে যাঁরা প্রবল ঝুঁকি নিয়ে নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন,

Feier zum Tag der Deutschen Einheit in Bremen 2010 Flash-Galerie

চ্যান্সেলর ম্যার্কেল উপস্থিত ছিলেন সেখানে

তাঁদের অবদানের কথাও স্মরণ করেন ভুল্ফ৷ সেইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন জার্মানির পূর্বাংশের সাধারণ মানুষের অবদানের কথাও৷ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘তাদের বলতে গেলে নিজেদের জীবন একেবারে নতুন করে শুরু করতে হয়েছিল৷ তারা সেই কাজ করেছেন৷ এই বিশাল পরিবর্তনের সঙ্গে একাত্ম হতে তাঁরা অসাধারণ মনোভাব দেখিয়েছেন৷''

পরিবর্তনের হাওয়া গত ২০ বছরে জার্মানির সমাজকে কতটা বদলে দিয়েছে, তারও উল্লেখ করেন প্রেসিডেন্ট ভুল্ফ৷ বিশেষ করে বৈচিত্র্যের প্রতি মানুষ অনেক বেশি সহিষ্ণু হয়েছে বলে মনে করেন তিনি৷ বর্তমানে সমাজে বিদেশীদের ভূমিকা সম্পর্কে চলমান বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে ভুল্ফ বলেন, ‘‘আমরা এক জাতি, কারণ বিদেশী বংশোদ্ভূত মানুষও আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি৷ তাই আমি চাই না যে এবিষয়ে প্রয়োজনীয় বিতর্ক সত্ত্বেও তাদের আঘাত করা হোক৷ ভুল

Feier zum Tag der Deutschen Einheit in Bremen 2010 Flash-Galerie

ব্রেমেনের উৎসবস্থল

ধারণাগুলিকে আরও মজবুত করা ও কোনো শ্রেণীকে একঘরে করার প্রচেষ্টা আমরা মেনে নিতে পার না৷ আমাদের জাতীয় স্বার্থেই এসবের প্রতিরোধ করা উচিত৷''

প্রেসিডেন্ট ভুল্ফ মনে করেন, সমাজে ভুল কারণে সংঘাত সৃষ্টি করা উচিত নয়৷ তবে তিনি একথাও মনে করিয়ে দেন, যে যারা বাইরে থেকে এদেশে এসে বসবাস করছেন, অথচ এদেশের মৌলিক মূল্যবোধের বিরোধিতা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে৷

গত ২০ বছর ধরে জার্মানি অনেক কিছু অর্জন করেছে৷ তবে এখনো আরও অনেক কাজ বাকি রয়েছে, মনে করেন জার্মান প্রেসিডেন্ট ভুল্ফ৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: জাহিদুল হক