1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

‘বিদায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট’: মুরলীথরন

শ্রীলঙ্কার স্পিনার মুত্তিয়া মুরলীথরনের নামে তাঁর জন্মস্থান ক্যান্ডিতে একটি স্টেডিয়াম রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক মানের সেই স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের তিনটি ম্যাচের ভেন্যুও৷ সেই মুরলি এবার জানিয়ে দিলেন, তিনি বিদায় নিচ্ছেন৷

default

এবার কি তাহলে বিদায় মুরলী?

বয়স বেশি হয়নি এই খেলোয়াড়ের, মাত্র আটত্রিশ! এই বয়সেই ক্রিকেটে খেলে গেছেন অনেক নামি-দামি খেলোয়াড়৷ কিন্তু কী এমন হলো এই লঙ্কানের? ‘কিছুই না', বললেন তিনি, ‘অনেক তো হলো৷ নতুনরা আসুক৷ তাদেরকেও তো সুযোগ দিতে হবে!'

রাজধানী কলম্বোর একটি স্টেডিয়ামে আজ প্র্যাকটিসের অবসরে মুরলী সাংবাদিকদের সঙ্গে কিছু সময় কাটালেন৷ ঘাম মুছতে মুছতে একটু হেসেই সকলের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘‘আমি একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে চাই৷ অবশ্য বেশ কিছু দিন ধরে আমার অবসর নেয়ার বিষয়ে বেশ লেখালিখি হচ্ছে৷ আজ আপনাদের মাধ্যমে সকলকে জানাতে চাই, এই বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসরই হচ্ছে আমার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শেষ আসর৷ বিশ্বকাপ শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিচ্ছি৷''

Sri Lanka Sport Cricket Cricketspieler Muttiah Muralitharan

মুরলীর বিখ্যাত বোলিং অ্যাকশন

বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বোলার এই মুরলীথরন৷ যিনি টেস্ট ক্রিকেটে নিয়েছেন আটশত উইকেট৷ আর ওয়ানডে ক্রিকেটে তিনি শিকার করেছেন ৫১৭টি উইকেট৷ মুরলী এ পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন৷ ১৯৯৬ সালে তাঁরা জয় করেন বিশ্বকাপ৷ সে সময় তিনি দলে ছিলেন৷ ২০০৭ এর বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে তাঁর দল৷ তিনি বলেন, ‘‘এই দুটি বিশ্বকাপের খেলা সব সময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে তার৷''

অবশ্য গত বছরের জুলাই মাসে গলে অনুষ্ঠিত ভারত- শ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজের পরপরই তিনি টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন৷ ছিলেন কেবল একদিনের আন্তর্জাতিক আসরে৷ সেখান থেকেও সরে যাচ্ছেন তিনি৷

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আসরকে বিদায় জানালেও ক্রিকেটকে কিন্তু বিদায় জানাচ্ছেন না এই অফ স্পিনার৷ এরই মধ্যে তিনি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়াম লিগে খেলতে দুই বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন৷ এ ধরনের আরও কিছু ঘরোয়া আসরে খেলার ইচ্ছে আছে তাঁর, জানালেন সাংবাদিকদের৷ তবে আপাতত কোচের ভূমিকা নিতে মোটেই রাজি নন এই তুখোড় বোলার৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন