1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিজিএমইএ ভবন ভাঙার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

রাজধানীর হাতির ঝিল প্রকল্প এলাকায় তৈরি করা বহুল আলোচিত বিজিএমইএ ভবন ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট৷ আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি খালি করতে বলা হয়েছে৷ এরপর থেকে বিজিএমইএ’র খরচে ভবনটি ভাঙতে হবে৷

default

ঢাকা হাইকোর্ট

হাইকোর্টের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং শেখ মো. জাকির হোসেনের আদালত আজ এ নির্দেশ দিয়েছেন৷

তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ'র ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৯৮ সালে৷ কারওয়ান বাজারে হাতির ঝিল প্রকল্পে বেগুনবাড়ি খাল ভরাট করে ভবন নির্মাণ, জমির মালিকানা, পরিবেশ আইনের লঙ্ঘন এবং রাজউকের অনুমোদন না থাকা - এসব বিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বার বার খবর প্রকাশিত হয়েছে৷ গত বছরের ৩রা অক্টোবর হাইকোর্ট সংবাদ মাধ্যমের খবর ধরে স্বপ্রণোদিত হয়ে সরকারকে রুল দেয়৷ রুলে আদালত জানতে চায়, কেন ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়া হবে না৷ তারই ধারাবাহিকতায় আদালত সব পক্ষের বক্তব্য শুনে, কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আজ ভবনটি ভাঙার আদেশ দিলেন৷

আদেশে বলা হয়েছে, ভবনটি নির্মাণে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে৷ আর ভবনের জমির মালিকানা বিজিএমইএ'র নয়৷ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো চাইলেই সরকারের জমি অন্য কারো কাছে বিক্রি করতে পারে না৷ ভবনটির নকশাও অনুমোদন করেনি রাজউক৷ যা সাংবাদিকদের জানান ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এবিএম আলতাফ হোসেন৷

আদালত আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বিজিএমইএ ভবন খালি করতে বলেছেন৷ এরপর থেকে ভবনটি ভেঙে ফেলতে হবে৷ আর ভবন ভাঙার সব খরচ বহন করতে হবে বিজিএমইএ'কে৷ আদালত বলেছেন, এই ভবনের জমি হস্তান্তর থেকে শুরু করে সব কিছুতে প্রতারণার আশ্রয় নেয়া হয়েছে৷ এই প্রতারণার সঙ্গে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে পুলিশের আইজিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷

এদিকে, বিজিএমইএ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে তাদের আইনজীবী জানিয়েছেন৷ বিজিএমইএ সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন জানান, ভবনটি ভেঙে ফেলাই সমাধান নয়৷ এই ভবনটি বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই