1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সহ সংসদের শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ

বিশেষ কমিটি সংবিধান সংশোধনের প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে৷ অনুচ্ছেদ ৯৬ পুনর্বহালের মাধ্যমে এই ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব আনা হচ্ছে৷

default

বিশেষ কমিটির কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

বাহাত্তরের সংবিধান পুনর্বহালের উদ্যোগ

দৈনিক কালের কণ্ঠর শিরোনাম ‘বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা পাচ্ছে সংসদ'৷ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬ পুনর্বহালের মাধ্যমে এই ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব আনা হচ্ছে৷ তাছাড়া প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের নিয়োগ-সংক্রান্ত বিধানেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে৷ কমিটির কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, উচ্চ আদালতের কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ উঠলে জাতীয় সংসদ তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে৷ জানা গেছে, বিশেষ কমিটি সংবিধান সংশোধনের প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে৷ আগামী ১২ এপ্রিল কমিটির পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে৷ দৈনিক সমকাল সেইসঙ্গে জানিয়েছে, বৈঠকে সংরক্ষিত মহিলা আসন বাড়ানো, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং ৭০ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করে সংসদ সদস্যদের ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়৷

Scheich Hasina Wazed

আমাদের স্বাধীনতাকে যারা আজো মেনে নেয়নি তারা বসে নেই: শেখ হাসিনা

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে শেখ হাসিনার সতর্কতাবাণী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ ও সচেতন থাকার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন৷ দৈনিক ইত্তেফাক প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে লিখেছে, সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অনুষ্ঠিত হবে৷ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের কার্যনির্বাহী কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যদের সাথে আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘‘আমাদের স্বাধীনতাকে যারা আজো মেনে নেয়নি তারা বসে নেই৷ তাদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে৷ তারা যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেনো, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ অন্যায়কারীরা রেহাই পাবে না৷'' যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা কামনা করেন৷

গ্যাস-সংযোগ নিয়ে যে সংকট

বাংলাদেশে গ্যাস সংকট নিয়ে দৈনিক প্রথম আলো'র সম্পাদকীয়র শিরোনাম ‘গ্যাস-সংযোগ বন্ধ সমাধান নয়'৷ তাতে লেখা হয়েছে, বিপুল ঘাটতি নিয়ে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া কিংবা জনগণের চাহিদা মেটানো কঠিন৷ বছর খানেক আগে পেট্রোবাংলা নতুন আবাসিক ভবনে গ্যাস-সংযোগ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়৷ তখন বলা হয়েছিল, গ্যাসের উৎপাদন বাড়লে ফের সংযোগ দেওয়া হবে৷ কিন্তু এখন সেই স্থগিতাদেশ স্থায়ী রূপ নিতে যাচ্ছে৷ আবাসিক ভবনে গ্যাস-সংযোগ স্থগিত করা হয়েছিল শিল্প-কারখানায় সরবরাহ ঠিক রাখার দোহাই দিয়ে৷ কিন্তু এখন শিল্প-কারখানাগুলোরও বেহাল অবস্থা৷ তবে এর সবটাই জোড়াতালি দেওয়া সমাধান৷ জ্বালানি সমস্যার টেকসই সমাধানের জন্য কেবল গ্যাসের ওপর নির্ভর না করে এর সব উপাদানের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়