1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিক্ষোভের পাশাপাশি শ্রমিক ধর্মঘটের সম্মুখীন মুবারক

সুয়েজ, ইসমাইলিয়া, কায়রোয় শত শত শ্রমিক, অফিস কর্মী, সরকারি কর্মচারী, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ধর্মঘট ঘোষণা করেছেন, প্রায় সর্বক্ষেত্রেই বেতনবৃদ্ধির দাবীতে৷ কিন্তু এর মূল ফল কি হবে?

default

বেতন বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিক ধর্মঘট চলছে

এই যে দাবীর পরে দাবী, এ'তে কি মুবারক অথবা অনুরূপ শক্তিদেরই সুবিধাই হবে না? কেননা, শুধুমাত্র এই সব অপূরণীয় দাবীর চাপেই তো প্রতিবাদ আন্দোলন ভেঙে পড়তে পারে৷ এবং বিপদটা সেখানেই৷ কিন্তু মিশরে এখন অসহযোগ আন্দোলনের হাওয়া বইছে৷ যে সব দাবী নিয়ে মানুষজন এতোদিন প্রতিবাদ জানানোর সাহস কি সুযোগ পায়নি, তারাও এবার তাহরির চত্বরের দৃষ্টান্ত দেখে বুকে দম পেয়েছে৷ ওদিকে মিশরের শ্রমিক সংগঠনগুলি কিন্তু খণ্ডবিখণ্ড এবং ছড়ানো-ছিটনো৷ তারা টিউনিশিয়ার শ্রমিক আন্দোলনের মতো একত্রে জোট বেঁধে দাঁড়াতে পারবে কি না, সন্দেহ৷ অথচ সেনাবাহিনী শেষমেষ অর্থনৈতিক অচলাবস্থা সহ্য করবে না বলেই মনে হয়৷

বেতনবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির বিপদও আছে৷ সরকারও চাপে পড়ে ইতিমধ্যেই ক্ষেত্রবিশেষে ১৫ শতাংশ বেতন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসে আছেন৷ সেই সরকারেরও তো এই বিকাশধারায় খুশি হবার কথা নয়৷ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ আবুল ঘাইট তো বিক্ষোভ আরো বাড়লে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়ে বসে আছেন৷ ওদিকে এই প্রথম একটি বিরোধী দল জানিয়েছে যে, তারা সরকারের সঙ্গে গোলটেবিলে আর আগ্রহী নয়৷ সেটাও অশনি সঙ্কেত৷ বস্তুত, জনপথের বিক্ষোভকারীরা তো অনেক আগেই বলেছে, তারা এই সংলাপে বিশ্বাস করে না৷ তারা চায় মুবারকের বিদায়৷

Ägypten Kairo Proteste Demonstranten Flash-Galerie

কায়রোর তাহরির চত্বর এখনও বিক্ষোভকারীদের দখলে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনও তো দৃশ্যত তাদের দিকে৷ অন্তত হোয়াইট হাউস প্রয়োজনীয় সংস্কারের যে একটা ন্যূনতম মাত্রা ধার্য করে দিয়েছে, বহুদিনের মিত্র মিশর সরকার তার ধারে-কাছে না যাওয়ায়, ওয়াশিংটন ক্ষুব্ধ৷ ওদিকে ওয়াশিংটন উপরাষ্ট্রপ্রধান ওমর সুলেইমানের প্রতি সমালোচনামূলক মনোভাব প্রদর্শন করায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘাইট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের আরব মিত্রের উপর চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ করেছেন৷

শেষ খবর, মিশর সরকার নাকি এখন আল-জাজিরার উপরেও খাপ্পা৷ আসলে কার ওপরে নয়? ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ক্যাথরিন এ্যাশটন মিশর যেতে চান৷ তা'তেও কায়রোর আপত্তি৷ এখন এ'ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়াটা কৌশলগত কিনা, তা বলার কোনো উপায় নেই৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার

নির্বাচিত প্রতিবেদন