1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিএনপির ৫ নেতার মুক্তি চাইলেন জার্মান রাষ্ট্রদূত

বিএনপির ৫ শীর্ষ নেতার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে৷ আদালত দ্বিতীয়বারের মতো তাঁদের আবেদন নাকচ করেছেন৷ ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত এই ৫ নেতার মুক্তি চেয়েছেন৷ তাঁর মতে, এঁরা নাশকতায় জড়িত থাকতে পারেন না৷

গত ৭ নভেম্বর রাতে বিএনপির ৫ শীর্ষ নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, এম কে আনোয়ার, আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং শিমুল বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ তাঁদেরকে মতিঝিল থানায় দায়ের করা হরতালে গাড়ি ভাঙচুর ও আগুনের পুরনো দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়৷ পরদিন তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়৷ এরপর ১৪ নভেম্বর তাঁদের প্রত্যেককে দুটি মামলায় মোট ৮ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত৷ তবে উচ্চ আদালত সেই রিমান্ড স্থগিত করে দেয়৷ এরপর বৃহস্পতিবার সকালে আবারো এই ৫ নেতার জামিন আবেদনের শুনানি হয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হকের আদালতে৷ বিকেলে আদালত তাঁর আদেশে ৫ নেতার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন৷

বিএনপির ৫ শীর্ষ নেতার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ডয়চে ভেলেকে বলেন, এই নেতাদের জামিন না দেয়ার কোনো কারণ নেই৷ তাঁদের পুরনো মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং এজাহারে তাঁদের নাম নেই৷ তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়৷ তাঁদের মতো বর্ষীয়ান নেতারা গাড়ি ভাঙচুর বা গাড়িতে আগুন দিয়েছেন এই অভিযোগ হাস্যকর৷ তিনি অভিযোগ করেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে আদালতকে ব্যবহার করছে৷

Bangladesch Dhaka Bus Feuer brennender Bus

বিএনপি মনে করে বর্ষীয়ান নেতারা গাড়ি ভাঙচুর বা গাড়িতে আগুন দিয়েছেন এই অভিযোগ হাস্যকর

তবে পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু ডয়চে ভেলেকে জানান, তাঁদের রিমান্ড স্থগিত হলেও জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি আছে৷ পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ না হওয়ায় তাঁদের জামিন দেয়া হয়নি৷ তিনি জানান তাঁরা নাশকতার ষড়যন্ত্রে জড়িত৷ তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি নাশকতার অভিযোগ আনা হয়নি৷ তিনি বলেন জামিন দেয়া বা না দেয়া আদালতের ইচ্ছা৷ আদালতকে রাজনৈতিক বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত করার সুযোগ নেই৷

এদিকে ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. আলব্রেশট কনসে বিএনপির ৫ নেতার মুক্তি দাবি করেছেন৷ তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলির সঙ্গে বৈঠক করেন৷ বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, তিনি যে-কোনো উপায়ে ওই ৫ নেতার মুক্তির কথা মন্ত্রীকে বলেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘তাঁরা বৃদ্ধ মানুষ, আমার বন্ধুর মতো৷ এধরণের সহিংসতায় তাঁরা জড়িত থাকতে পারেন বলে আমার মনে হয় না''৷

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সংকট নিরসনে রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য সরকারের এখনই উদ্যোগ নেয়া উচিত৷ আর বিরোধী দলেরও ছাড় দিয়ে আলোচনায় আসা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়