1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিআইডাব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের অপসারণ চেয়ে রিট

মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় পিনাক-৬ লঞ্চ ডুবি এবং উদ্ধারে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বিআইডাব্লিউটিএ-র চেয়ারম্যানসহ ১০ জন কর্মকর্তার অপসারণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ৷

যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পক্ষে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করেন আইনজীবী মো. হারুন অর রশীদ৷ বুধবার এই রিটের ওপর শুনানি হতে পারে বলে খবর৷

রিট আবেদনে বলা হয়: শুধু পিনাক-৬ লঞ্চ নয়, বাংলাদেশে আরো অনেক লঞ্চ দুর্ঘটনার জন্য বিআইডাব্লিউটিএ এবং সমুদ্র পরিবহণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাই দায়ী৷ কারণ তাঁরা লঞ্চের ফিটনেস, রুট পারমিট এবং পরিদর্শনের দায়িত্বে নিয়োজিত৷ এটা প্রমাণিত যে তাঁরা যেমন অনুপযুক্ত নৌ-যানকে ফিটনেস সার্টিফিকেট দেন৷ একই সঙ্গে ত্রুটিযুক্ত নৌ-যান তাঁদের ইশারাতেই চলাচল করে৷ এছাড়া অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হয় তাঁদের সামনে৷


আইনজীবী হারুন অর রশীদ বলেন, পিনাক-৬ লঞ্চ দুর্ঘটনার পর তা আবারো প্রমাণিত হয়েছে৷ তাই তাঁরা রিটে বিআইডাব্লিউটিএ-র চেয়ারম্যান, সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ রুটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, পরিদর্শক, সমুদ্র পরিবহণ অধিদপ্তরের জাহাজ জরিপকারী কর্মকর্তা, মাওয়া নদীবন্দর কর্মকর্তা এবং বন্দর, নৌ-নিরাপত্তা ও নৌ-সংরক্ষণ বিভাগের তিনজন পরিচালকের অপসারণ চেয়েছেন৷

রিটে বলা হয়েছে, পিনাক-৬ লঞ্চ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের একজন মাওয়ার জাহাজ জরিপকারী মো. মহিন উদ্দিন জুলফিকারকে কোনো শাস্তি না দিয়ে উল্টে ঢাকা হেড অফিসে পদায়ন করা হয়েছে, যা বিস্ময়কর৷ তাই তারঁ পদায়ন বাতিলেরও আবেদন জানান হয়েছে৷আবেদনকারীরা নৌ-যানের নিবন্ধন, ফিটনেস পরীক্ষা এবং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি নৌ-শুমারি শুরুর কথা বলেছেন৷
গত ৪ঠা আগস্ট তিন শতাধিক যাত্রী নিয়ে মাওয়ায় পদ্মা নদীতে পিনাক-৬ লঞ্চটি ডুবে যায়৷ ঐ ঘটনায় ৪৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করার পর, উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেয়া হয়৷ লঞ্চটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি৷ সরকারি হিসেবে এখনো ৬১ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন৷
এই ঘটনায় মামলা হলেও বিআইডাব্লিউটিএ বা সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের কাউকে দায়ী বা আসামি করা হয়েনি৷ আসামি করা হয়েছে লঞ্চ মালিক ও লঞ্চের সারেংসহ স্টাফদের৷ এরই মধ্যে লঞ্চের মালিক আবুবকর সিদ্দিক ও তাঁর ছেলেকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে৷

১৩ই আগস্ট গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবুবকর আবু বকর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘ঘাট ইজারাদারদের অনুমতি ছাড়া লঞ্চ ছাড়া যায় না৷ তাঁরা যাত্রী দেয়৷ ৭০-৮০ জন যাত্রী উঠলে ভাড়া পাওয়া যায় ১০-২০ জনের৷ বাকি টাকা ইজারাদার রেখে দেয়৷ মাঝখানের ঘাটে না থামলে পরের দিন লঞ্চ সিরিয়াল মেলে না৷ বিআইডাব্লিউটিএ-র লোকজন এ সব জেনেও কিছু বলে না৷ তাঁদের সামনেই এ সব ঘটনা ঘটে৷''তিনি আরো জানান যে, তাঁর লঞ্চের ফিটনেস, রুট পারমিট সবই আছে৷ এগুলো দেয়ার সময় তাঁর লঞ্চ পরিদর্শনে কেউ আসেননি৷ তিনি অফিসে গিয়ে নিয়ে এসেছেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন