1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

বায়ার্ন ফ্যানদের প্রত্যাশা তুঙ্গে; চাপে গুয়ার্দিওলা

গত মরসুমে ইয়ুপ হাইনকেস বায়ার্নকে ত্রিমুকুটে সাজিয়ে দিয়ে যাওয়ার পর নতুন কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা পড়েছেন বিপদে৷ এমনকি বলতে বাধ্য হয়েছেন: ‘‘আমি শুধু একজন সাধারণ কোচ, কোনো সুপার ট্রেনার নই৷’’

গুয়ার্দিওলা কষ্ট করে জার্মান শিখেছেন৷ যেভাবে হোক, যতটুকু হোক, মিডিয়াকে জার্মানেই তাদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন৷ মানুষটির আন্তরিকতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠতে পারে না৷ বায়ার্নও গুয়ার্দিওলাকে যে স্কোয়াড দিয়েছে, তাতে মারিও গ্যোৎসে কিংবা টিয়াগো আলকান্তারার মতো দেশি-বিদেশি উঠতি তারকারা এখনও যুক্ত হচ্ছে৷

বার্সেলোনার সাবেক সুপার কোচ পেপ-এর কাছে বায়ার্ন ফ্যানদের প্রত্যাশা তুমুল হবেই৷ কিন্তু সেটা এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেটা বর্ণনা করেছেন পেপ নিজে: ‘‘সব সময় জেতাটা খুব সহজ নয়৷ লোকে ভাবে আমরা প্রতিবার ছয় বা সাত গোলে জিতব, যা সম্ভব নয়৷ ফ্যানরা ক্রমেই আরো বেশি চায়৷ কিন্তু আমি টিমের সঙ্গে এসেছি তো মাত্র ছয় বা সাত সপ্তাহ আগে৷ আমার আরো সময় চাই৷''

গুয়ার্দিওলা-কে সময় দিতে বায়ার্ন ফ্যানদের আপত্তি নেই৷ কিন্তু পেপ-কে, বায়ার্নকে জিতে যেতে হবে৷ এটা যেন এক হিসেবে ইয়ুপ হাইনকেস-এর অভিশাপ৷ বায়ার্ন তাদের প্রবীণ সাথী ও কোচকে যেভাবে বিদায় দিয়েছে, পেপ গুয়ার্দিওলার আগমনে আত্মহারা বায়ার্ন ফ্যান ও কর্মকর্তারা – এবং সেই সঙ্গে জার্মান মিডিয়া – যে রকম দায়সারা ভাবে বুন্ডেসলিগার ইতিহাসে একজন সেরা কোচকে বিদায় দিয়েছে, তাতে হাইনকেস বিশেষ সুখী হননি এবং তাঁর হাবভাবে প্রকাশও পেয়েছে৷ এবার গুয়ার্দিওলার উপর চাপ দেখে হাইনকেস যেন মুচকি হেসে বলছেন: আরো ক্ষুদ্র মৌচাক রচো দেখে যাই৷

FC Bayern Munich head coach Pep Guardiola, left, attends his first training session in the Allianz Arena stadium in Munich, southern Germany, on Wednesday, June 26, 2013. (AP Photo/Matthias Schrader)

বায়ার্ন দলের সাথে গুয়ার্দিওলা

পরিবর্তন তো আসবেই

গুয়ার্দিওলা যে তাঁর নিজের ‘সিস্টেম' নিয়ে আসবেন, সেটা জানাই ছিল৷ কাজেই হাইনকেসের ৪-২-৩-১ ফর্মেশন বদলে ৪-১-৪-১ হয়ে গেছে৷ মিডফিল্ডে হাভি মার্তিনেস আর বাস্টিয়ান শোয়াইনস্টাইগার-এর জুটি সম্ভবত ভাঙতে চলেছে: শোয়াইনস্টাইগারের ভূমিকা হবে আরো কেন্দ্রীয়, মার্তিনেসকে সেন্টার ব্যাক হিসেবে ব্যাক সিট নিতে হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি৷ গুয়ার্দিওলার স্কোয়াডে স্টারদের কোনো অভাব নেই – গোলে মানুয়েল নয়ার থেকে ফরোয়ার্ডে রিবেরি-রবেন৷ এক ডর্টমুন্ডের রবার্ট লেভান্ডোভস্কি যা হাত ফস্কে গেছে৷

ফস্কে গেছে, সেটা হয়ত ভালোই, কেননা প্রথম একাদশের অঙ্গ হিসেবে মাঠে নামার জন্য খেলোয়াড়দের মধ্যে টানাটানি এবার শুরু হবে৷ কেউ ফর্ম কি ফল দেখাতে না পারলেই ফ্যানরা আর মিডিয়া তার কাঁচা মাথা নেবে – এবং সেই সঙ্গে কোচ গুয়ার্দিওলার৷ নিজেদের তুমুল প্রত্যাশার চাপেই বায়ার্ন ও তাদের নতুন স্টার কোচের তলিয়ে যাবার একটা সম্ভাবনা একেবারে নাকচ করা যায় না – নয়তো ফুটবল ফুটবল হবে কেন?

যাই হোক, এই শুক্রবার নতুন মরশুমের প্রথম খেলায় ম্যোনশেনগ্লাডবাখকে মিউনিখে স্বাগত জানাবে বায়ার্ন৷ দু'বছর আগে ঠিক এই গ্লাডবাখের কাছেই মরশুমের প্রথম খেলায় ১-০ গোলে হেরেছিল বায়ার্ন৷ এবার এই দুই অসমের মোলাকাত টেলিভিশনে দেখবে একশোটির বেশি দেশের দর্শক৷ বায়ার্নের নাক কাটার এরকম একটা সুযোগ গ্লাডবাখ সহজে হাতছাড়া করবে না৷ কাজেই গুয়ার্দিওলাকে দেখাতে হবে, তাঁর ‘সিস্টেম' অতি ত্যাঁদড় পরিস্থিতিতেও ঠিকমতো কাজ করে কিনা৷

এসি/এসবি (এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়