1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার পক্ষে অধিকাংশ জার্মান

পাবলিক স্পেসে আরো বেশি ভিডিও নজরদারির পক্ষে রয়েছেন প্রায় ৬০ শতাংশ জার্মান৷ ইউগভ-এর সাম্প্রতিক এক জরিপ থেকে জানা গেছে এ তথ্য৷ গতসপ্তাহে বার্লিনে ক্রিসমাস মার্কেটে হামলার পর জরিপটি পরিচালনা করা হয়৷

বার্লিনে হামলার পর জার্মানির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে ভিডিও নজরদারি বাড়াতে প্রয়োজনীয় আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার৷ ইউগভ-এর জরিপে দেখা যাচ্ছে, এতে সায় আছে সাধারণ জনতার৷ এমনকি জরিপে অংশ নেয়াদের ৭৩ শতাংশ বড় পুলিশ বাহিনী গড়ার পক্ষে মতামত জানিয়েছেন৷

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে টিউনিশিয়ার নাগরিক আনিস আমরি বার্লিনের একটি ক্রিসমাস মার্কেটে ট্রাক ঢুকিয়ে দিয়ে ১২জনেক হত্যা এবং প্রায় ৫০ জনকে আহত করে৷ এরপর ইটালি পালিয়ে গেলে সেখানে পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের সময় নিহত হয় সে৷ হামলার সময় ক্রিসমাস মার্কেটটিতে পুলিশের কোনো ভিডিও ক্যামেরা ছিল না৷ এই ঘটনার কয়েকদিন পর ইউগভ জরিপটি পরিচালনা করে জার্মান বার্তাসংস্থা ডিপিএ৷

বার্লিন হামলায় আমরির সম্পৃক্ততা শুরুর দিকে ধরা পড়েনি৷ বিশ্লেষকরা মনে করেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের ক্যামেরা থাকলে সন্দেহভাজন শুরুতে নজর এড়িয়ে যেতে পারতো না৷ বরং হামলার পরপরই পাকিস্তানি এক শরণার্থীকে হামলাকারী হিসেবে সন্দেহ করে আটক করে পুলিশ৷ তিনি হামলার সময় ঘটনাস্থলের আশেপাশে ছিলেন এবং সেখান থেকে যখন অন্যত্র চলে যান, তখন সেখানে থাকা আরেক ব্যক্তি তাঁকে অনুসরণ করেন৷

রবিবার পরিচালিত জরিপের আগেই অবশ্য জার্মান মন্ত্রীপরিষদ একটি খসড়া বিল অনুমোদন দিয়েছে যা পাবলিক প্লেসে আরো বেশি পুলিশের নজরদারি সম্ভব করতে পারে৷ তবে বার্লিনের স্থানীয় সরকার এই বিলের বিরোধীতা করেছে৷ প্রস্তাবিত বিল জার্মানির কঠোর ‘প্রাইভেসি' আইনের সঙ্গে কিছুক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক৷

সন্ত্রাসী হামলার সময় প্রয়োজনে সামরিক বাহিনীকে (বুন্ডেসভার) কাজে লাগানোর পক্ষে মত দিয়েছেন ইউগভ জরিপে অংশ নেয়া প্রতি দু'জনের একজন৷ বর্তমানে পুলিশ প্রয়োজনে ‘ব্যাকআপ' হিসেবে সামরিক বাহিনীকে তলবের নিয়ম থাকলেও তাদের ভূমিকা ঠিক কী হবে তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ নেই৷ আগামী মার্চ মাসে বুন্ডেসভার এবং পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালিত হবে৷

এআই/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়