1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভাইরাল ভিডিও

বাসের সিটকে বোরকা ভেবে ফেসবুকে লঙ্কাকাণ্ড

বাসের কয়েকটি খালি সিটের একটি ছবিকে ‘বোরকা পরা নারী' মনে করে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেছে নরওয়েতে৷ ছবিটি একটি অভিবাসন বিরোধী ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট দেয়ার পর বোরকা নিয়ে হিংসাত্মক মন্তব্যে ভরে গেছে৷ ছবিটি এরই মধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে৷

বিষয়টি দৃষ্টি কেঁড়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেরও৷ ওয়াশিংটন পোস্ট, গার্ডিয়ানসহ বড় বড় সব পত্রিকা ফলাও করে ছেপেছে খবরটি৷ অনেক টেলিভিশনও এ নিয়ে রিপোর্ট করেছে৷ 

নরওয়ের যে গ্রুপটিতে ছবিটি পোস্ট দেয়া হয়েছিল সেটি অভিবাসন বিরোধী৷ গ্রুপের নামটি ইংরেজি করলে দাঁড়ায় ‘ফাদারল্যান্ড ফার্স্ট', আর বাংলায় ‘জন্মভূমি আগে'৷

ছবিটিতে একটি বাসের ছয়টি খালি সিটের ছবি এমনভাবে নেয়া হয়েছে, দূর থেকে একে বোরকা পরা নারী বলেই মনে হয়৷ কিন্তু ভালো করে দেখলে স্পষ্ট হয় বিষয়টি৷

কিন্তু ঐ গ্রুপের বেশিরভাগ সদস্যই ভালো করে না দেখে মন্তব্য করতে শুরু করেন৷ বেশিরভাগ মন্তব্যই নেতিবাচক ও বর্ণবাদী৷

ছবিটি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে শত শত মন্তব্য পড়তে থাকে সেখানে৷ কেউ বলছেন, ‘খুবই ভীতিকর, নিষিদ্ধ করা উচিত, তুমি জানো না এর ভেতরে কী আছে....অস্ত্রও থাকতে পারে!'  অন্য অনেকেই একে ‘আতঙ্ক' ও ‘উদ্বেগজনক' বলে মন্তব্য করেছেন৷

দেশটির এক সাবেক রাজনীতিবিদের চোখে ভুলটি ধরা পড়ে৷ তাঁর ফেসবুক পোস্ট থেকে সবাই জানতে পারে ঘটনাটি৷

একটি ভুল ছবিকে দেখে এমন মন্তব্যে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন৷ বোরকা ও মুসলিমদের নিয়ে অভিবাসন বিরোধী নরওয়েজিয়ানদের এমন ঢালাও মন্তব্যেরও সমালোচনা হয়েছে৷

গেল কয়েক বছর ধরেই নরওয়েতে অনেক বেশি সংখ্যক মুসলিম অভিবাসীরা আসছেন৷ এতে ক্ষুব্ধ দেশটির জনগণের অভিবাসন বিরোধী অংশটি৷

এই ছবিটি গেল বেশ কিছুদিন ধরে ইউরোপ জুড়ে আলোচিত পোশাক বিতর্ককেও উসকে দিয়েছে৷ এরই মধ্যে নারীদের বোরকা পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে মহাদেশটির কোথাও কোথাও

নরওয়ের ডানপন্থি সরকারও স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বোরকা নিষিদ্ধের জন্য একটি আইন করার প্রস্তাব করেছে৷ স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর মধ্যে নরওয়েই প্রথম এমন উদ্যোগ নিল৷

শুধু বোরকাই নয়, মুখ ঢেকে থাকে এমন কোনো মাস্ক বা অন্য কোনো কাপড় পরাও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে৷

আপনি কি মনে করেন বোরকার সঙ্গে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসের কোনো যোগ আছে? লিখুন নীচের ঘরে৷ 

নির্বাচিত প্রতিবেদন