1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

বাল্যবিবাহ রোধে জার্মানিতে আরো কঠোর আইনের দাবি

জার্মানির সামাজিক গণতন্ত্রী দলের নেতা এবং বিচারমন্ত্রী হাইকো মাস বাল্যবিবাহ রোধে আইন কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন৷ বর্তমানে জার্মানিতে নিবন্ধিত প্রায় দেড়হাজার অভিবাসী শিশু রয়েছে, যারা সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী ‘‘বিবাহিত''৷

জার্মান আইন অনুযায়ী, বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স হচ্ছে ১৮ বছর৷ তবে কেউ চাইলে পারিবারিক আদালতের অনুমতি নিয়ে ১৬ বছর বয়সেও বিয়ে করতে পারেন৷ সেক্ষেত্রে তার সঙ্গীর বয়স কমপক্ষে আটারো বা তার বেশি হতে হবে৷ তবে বিষয়টি সম্প্রতি একটু জটিল হয়ে গেছে কেননা নতুন কিছু বিদেশি দম্পতি জার্মানিতে এসেছেন, যাদের বিয়ে হয়েছে অন্য কোনো দেশে৷ জার্মান আইন অনুযায়ী, অন্য কোনো দেশে বিয়ে হয়ে থাকলে তা জার্মানিতে বৈধ হিসেবে গ্রহণ করা হবে এবং এসবক্ষেত্রে যে দেশে বিয়ে হয়েছে সেই দেশে বিয়ের সর্বনিন্ম বয়স প্রযোজ্য হবে৷

জার্মানির ‘‘পাসাওয়ার নয়ে প্রেসে'' পত্রিকায় শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচারমন্ত্রী হাইকো মাস এখন বাল্যবিবাহের আইন আরো কঠোর করার কথা ভাবছেন৷ তিনি চান, ১৬ বছর বয়সের নীচে যেকারো বিয়ে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হোক এবং এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যতিক্রম রাখা যাবে না৷ সেক্ষেত্রে অন্য দেশে সম্পাদিত বাল্যবিবাহ জার্মানিতে কোনোভাবেই বৈধতা পাবে না৷

জার্মানির সামাজিক গণতন্ত্রী দলের নেতা এবং বিচারমন্ত্রী হাইকো মাস

জার্মানির বিচারমন্ত্রী হাইকো মাস বাল্যবিবাহ রোধে আইন কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন

মাস বলেন, ‘‘১৬ বছরের কম বয়সি মেয়েদের বিয়ে আমাদের রাষ্ট্রের কোনোভাবেই অনুমোদন দেয়া উচিত নয়৷ আর নীতিগতভাবে ১৬ বছর বয়সিদের সঙ্গে আঠারো বছর বয়সিদের বিয়েরও স্বীকৃতি দেয়া উচিত নয়৷''

হাইকো মাস মনে করেন, কেউ জার্মানিতে আসলে তাঁর জার্মানির আইন মনে নেয়া উচিত এবং এটাই ইন্টিগ্রেশনের প্রথম ধাপ৷

উল্লেখ্য, গতবছর শরণার্থী সংকট শুরুর পর জার্মানিতে বাল্যবিবাহের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে৷ সরকারি নথিতে দেখা যাচ্ছে, ১,৪৭৫ অভিবাসী শিশু কার্যত ‘‘বিবাহিত''৷ এদের ম্যধে সর্বোচ্চ ৬৬৪ জন সিরিয়া থেকে এসেছেন৷ এছাড়া বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড এবং গ্রিসের মতো দেশ থেকে আসা অভিবাসী ‘‘বিবাহিত'' শিশুও রয়েছে৷

আপনার কি মনে হয়, অভিবাসীদের কারণে জার্মান সমাজে নানারকম সমস্যা দেখা যাচ্ছে? লিখুন মন্তব্যের ঘরে৷

কেট ব্রাডি/এআ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়