1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সাক্ষাৎকার

‘বাল্যবিবাহ মানব উন্নয়নের পথে এক প্রতিবন্ধকতা'

ইউএনডিপি-র মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান একধাপ এগোলেও, দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের তুলনায় এ অবস্থান এখনো বেশ নীচে৷ জার্মানির বন শহরে জাতিসংঘের কার্যালয়ে এ বিষয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ড. সেলিম জাহান৷

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের ইউএনডিপি মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন কার্যালয়ের পরিচালক ড. সেলিম জাহান৷ সম্প্রতি প্রকাশিত মানব উন্নয়ন সূচক ২০১৬-র নানাদিক তুলে ধরতে তিনি এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছেন৷ মঙ্গলবার জার্মানির বন শহরে জাতিসংঘের কার্যালয়ে ডয়চে ভেলের মুখোমুখি হন তিনি৷

ইউএনডিপি-র মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১৬-তে বাংলাদেশের অবস্থান একধাপ এগিয়েছে৷ বর্তমানে দেশটির অবস্থান ১৩৯তম৷ ১৮৮টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে তৈরি এই প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের তুলনায় বেশ এগিয়ে রয়েছে৷ বিশেষ করে শ্রীলঙ্কার অবস্থান এক্ষেত্রে ৭৭তম৷ এই বিষয়ে জাহান বলেন, ‘‘শ্রীলঙ্কা স্বাস্থ্য খাতে, শিক্ষা খাতে সেই ষাটের দশক থেকেই এগিয়ে ছিল৷ আর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ভারত এবং পাকিস্তানের চেয়ে কম৷''

ডয়চে ভেলের সঙ্গে আলাপকালে বাল্যবিবাহের বিষয়টিও আলোচনাতে আসে৷ বাংলাদেশ সম্প্রতি বিশেষ বিধান রেখে বাল্যবিবাহ রোধ আইন পাশ করা হয়েছে, যেখানে পরিবারের সম্মতি থাকলে এবং আদালত অনুমতি দিলে ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে, বিশেষ করে ধর্ষণের শিকার মেয়েদের ধর্ষকের সঙ্গে বিয়েরও নিয়ম রয়েছে৷ এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনি দিকে না গিয়ে বিষয়টির মানবিক দিক তুলে ধরেন ড. সেলিম জাহান৷ তিনি বলেন, ‘‘বাল্যবিবাহে একজন নারীর স্বাস্থ্যের বিঘ্ন ঘটতে পারে৷ তাঁর সম্ভাবনা নানা ভাবে নষ্ট হয়৷ এ রকম বিয়ের শিকার মেয়েটি হয়ত স্কুল-কলেজে শিক্ষা লাভ করলে পরবর্তী জীবনে তার যে সম্ভাবনা ছিল তার সম্পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারতো৷'' 

‘‘এখন তার আগেই যদি তাকে সন্তানের জননী হতে হয়, সন্তান ধারন করতে হয়, তাহলে মানব উন্নয়নের পথে সেই নারীর জন্য এটি একটি প্রতিবন্ধকতা'', বলেন তিনি৷

বাংলাদেশে শিক্ষার মান নিয়ে দেশটির ৮৫ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট বলে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যদিও পরীক্ষানির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে৷ এই প্রসঙ্গে জাহান বলেন, ‘‘বিশ্ববিদ্যালয় মানে বিশ্বের বিদ্যালয় নয়৷ এটা হচ্ছে এমন একটা বিদ্যালয় বা জায়গা যেখানে আপনার মনন, আপনার মানসের প্রসারণ ঘটবে৷ এবং একটি বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করবে৷ এবং বিশ্বের একজন নাগরিক হিসেবে আপনি কী করতে পারেন, সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করবেন৷''

‘‘সেই অর্থে আমি মনে করি, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় সেরকম একটি দৃষ্টিভঙ্গি থাকা দরকার, যেখানে আমরা নিজেদের খুব সীমাবদ্ধভাবে দেখবো না, আমরা বিশ্বের নাগরিক হিসেবে দেখবো'', বলেন তিনি৷

ডয়চে ভেলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারটি সরাসরি ফেসবুকে সম্প্রচার করা হয়৷ সেসময় দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন সেলিম জাহান৷ পুরো সাক্ষাৎকারটি দেখতে ক্লিক করুন এখানেআর নীচে লিখে জানান আপনার মতামত৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়