1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সামাজিক মাধ্যম

বার্সেলোনা অ্যাটাক: ট্রাম্পের টুইটে ঝড়

বার্সেলোনায় ভ্যানের তলে ফেলে সাধারণ মানুষ হত্যা করার ঘটনায়, এক জেনারেলের শুকরের রক্তে বুলেট ভিজিয়ে মুসলিম সৈন্যদের খতম করার উদাহরণ টেনে টুইট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ এখন এই টুইটে বইছে সমালোচনার ঝড়৷

default

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট (ফাইল ছবি)

যতটা দ্রুত ট্রাম্প শার্লটসভিলের ঘটনায় টুইট করেছেন, তার চেয়ে দ্রুত বার্সেলোনার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দেখালেন৷ সেখানে তিনি এমন এক জেনারেলের উদাহরণ টানলেন, যার বিরুদ্ধে শুকরের রক্তে বুলেট ডুবিয়ে মুসলিম সেনাদের হত্যা ও শুকরের সঙ্গে কবর দেয়ার একটি গল্প প্রচলিত আছে৷ তবে গল্পটি সত্য বলে কখনো প্রমাণিত হয়নি৷

বার্সেলোনা অ্যাটাকের পর ট্রাম্প প্রথমে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একটি টুইট করেন৷ এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এই টুইটটি করেন৷

ট্রাম্পের টুইটটি বাংলা করলে দাঁড়ায়, ‘‘গবেষণা করে দেখুন, জঙ্গিদের ধরার পর অ্যামেরিকান জেনারেল পার্শিং কী করেছিলেন৷ পরের ৩৫ বছর ইসলামি জঙ্গিবাদ হাওয়া হয়ে গিয়েছিল৷’’

১৯০৯ সাল থেকে ১৯১৩ সাল পর্যন্ত জেনারেল জন পার্শিং আমেরিকার তৎকালীন উপনিবেশ ফিলিপিন্সের মোরো রাজ্যের গভর্নর ছিলেন৷

কথিত আছে, তিনি সেখানে ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীকে দমন করার জন্য ৫০ জনকে ধরে তার ৪৯ জনকে শুকরের রক্তে ভেজা বুলেট দিয়ে গুলি করান৷ এরপর একজনকে ছেড়ে দেন কী ঘটেছিল তা বলার জন্য৷

আরেকটি ‘মিথ’ চালু আছে, তা হলো পার্শিং মৃত মুসলিম জঙ্গিদের শুকরের সঙ্গে কবর দেন৷ তবে এসব ঘটনার কোনো ঐতিহাসিক সত্যতা নেই৷

ট্রাম্পের এই টুইটের পর সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে৷ গত বছর নির্বাচনের প্রচারণার সময়ও ট্রাম্প এ বিষয়টির অবতারণা করেছিলেন৷ সাউথ ক্যারোলাইনাতে প্রচারণার সময় পার্শিংয়ের নাম খুবই কৃতজ্ঞতার সুরে স্মরণ করেন তিনি৷ অতি ডানপন্থিদের সমর্থন আদায়ে তাঁর এসব কৌশল কাজে লেগেছে বলে ধারণা করা হয়৷

এবারও তাঁর এই মন্তব্য ‘বিশেষ রাজনৈতিক’ ফায়দা লোটার অংশ হিসেবেই করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷ এক সপ্তাহ আগে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে একজন ‘সাদা' উগ্রতাবাদী জনতার উপর একইভাবে গাড়ি তুলে দেয়৷ সেই ঘটনার পর দু'দিন লেগেছে ট্রাম্পকে অতি ডানপন্থিদের ঘটনার জন্য দায়ী করতে৷ অবশ্য পরদিনই দু'পক্ষকেই দায়ী করে আবারো বক্তব্য দেন তিনি৷

অন্যদিকে, বার্সেলোনার ঘটনার পর ট্রাম্পের ‘প্রতিক্রিয়া’ ছিল খুবই দ্রুত ও একেবারেই বিপরীত৷

ফ্রেঞ্চ প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ অবশ্য দু'টি ঘটনাতেই একইরকমের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন এবং সেটা ট্রাম্পের বিরুদ্ধেই গেছে৷ নিজ দেশের ঘটনায় তিনি টুইট করেছেন, ‘‘আমাদের একতাবদ্ধ ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ৷'' আর যুক্তরাষ্ট্রের ঘটনায় তিনি লেখেন, ‘‘যারা বর্ণ ও জাতবিদ্বেষের বিপক্ষে লড়ছে, আমরা তাদের সঙ্গে আছি৷ এই যুদ্ধ আমাদের সবার৷’’

প্রিয় পাঠক, আপনি কিছু বলতে চাইলে লিখুন নীচে মন্তব্যের ঘরে...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়