1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বার্লিনে চালু হতে পারে গাঁজা ক্যাফে

বার্লিনে সম্ভবত শীঘ্রই বৈধভাবে অল্প পরিমাণে গাঁজা কেনা সম্ভব হবে৷ অন্তত বিখ্যাত ক্রয়েৎসব্যার্গ অঞ্চলের নতুন মেয়র মোনিকা হ্যারমান তেমন আভাসই দিচ্ছেন৷ নিজের এলাকায় জার্মানির প্রথম ক্যানাবিস ক্যাফে চালুর পরিকল্পনা তাঁর৷

মোনিকা হ্যারমান বার্লিনের ক্রয়েৎসব্যার্গের মেয়র হিসেবে কাজ শুরু করেছেন গাত আগস্ট মাসে৷ তাঁর কাজের তালিকায় গাঁজা বৈধকরণের ব্যাপারটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে৷ জার্মানির সংসদ নির্বাচনের আগে আগে এই বিষয়ে বেশ খানিকটা বিতর্কও তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন মেয়র৷ ক্রয়েৎসব্যার্গের গ্যোরলিৎসার পার্ক মাদক বেচা-বিক্রির হাবে পরিণত হয়েছে৷ হ্যারমান মনে করেন, গাঁজা বৈধ করার মাধ্যমে মাদকের অবৈধ বাণিজ্য রোধ করা সম্ভব হবে৷

‘‘আমরা যদি ডিলার এবং তাদের পণ্যের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাই, তাহলে গাঁজা বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে,'' বলেন সবুজ দলের রাজনীতিবিদ হ্যারমান৷ এই প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে ডিলারদের ব্যবসা ধ্বংস করা যাবে এবং গাঁজার ব্যবহারও রোধ করা সম্ভব হবে৷

Tausende Hanf-Freunde haben sich am 10.08.2013 in Berlin mit einer Hanfparade für eine legale Abgabe von Cannabis stark gemacht. Foto: Tim Brakemeier/dpa (zu dpa Tausende machen sich in Berlin für legale Cannabis-Abgabe stark vom 10.08.2013) +++(c) dpa - Bildfunk+++ ***FREI FÜR SOCIAL MEDIA***

বার্লিনে গাঁজা বৈধ করার পক্ষে সমাবেশ

যারা ক্যাফেতে বসে মনের সুখে গাঁজা টানতে আগ্রহী তারা নিশ্চয়ই মেয়রের এই পরিকল্পনায় সন্তুষ্ট হবেন৷ আর মেয়র তো এমন কিছু করছেন না যার নজির বিশ্বের কোথাও নেই৷ পাশের দেশ নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডামের ক্যাফেতে ক্যাফেতে বিক্রি হচ্ছে গাঁজা৷ তাহলে বার্লিনে নয় কেন?

মেয়র হ্যারমান অবশ্য নেদারল্যান্ডসের মাদক নীতিকে বার্লিনের জন্য মডেল হিসেবে বিবেচনা করছেন না৷ বরং শহর-চালিত ক্যাফেতে তিনি খদ্দেরদের মাদক সম্পর্কে সচেতন করতে পারেন এমন প্রশিক্ষিত বিক্রয়কর্মী নিয়োগ করতে চান হ্যারমান৷ এতে করে মাদকসেবীদের ‘‘কাউন্সিলিং'' সম্ভব হবে৷

বলাবাহুল্য, গাঁজা বৈধ করার বিষয়টি জার্মানিতে খুব সহজ হবে না৷ এক্ষেত্রে মাদক নীতিতে সংস্কার প্রয়োজন হবে৷ বর্তমান জার্মান আইন অনুযায়ী, গাঁজা কেনা এবং বেঁচা দু'টোই অবৈধ৷ তবে গাঁজা বহনের ক্ষেত্রে নিয়মে খানিকটা ধোঁয়াশা রয়েছে৷ এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারগুলোর মধ্যে সীদ্ধান্তে ভিন্নতা আছে৷ বার্লিনে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ১৫ গ্রাম পর্যন্ত গাঁজা বহন করা অবৈধ নয়৷ অন্যদিকে হামবুর্গ শহর বা নর্থ রাইন ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যে সর্বোচ্চ ৬ গ্রাম গাঁজা বহন করা বৈধ৷

মেয়র হ্যারমানের গাঁজা বৈধ করার প্রস্তাবে এখন অবধি রাজনৈতিক সমর্থনও খুব একটা পাওয়া যায়নি৷ সামাজিক গণতন্ত্রী, সবুজ দল এবং পাইরেট পার্টি গাঁজা নীতি শিথিল করার পক্ষে হলেও, স্থানীয় রক্ষণশীলরা নিষিধাজ্ঞা বলবৎ রাখতে চান৷ তারা এই সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব পুলিশের উপর ন্যস্ত করার পক্ষে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন