1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বার্লিনের প্রধান রেলওয়ে স্টেশনের ৫ বছর পূর্তি

৬ বিলিয়ন ইউরো খরচ করে নির্মিত বার্লিনের হাউপ্টবানহোফ বা প্রধান রেলওয়ে স্টেশন ইউরোপের মধ্যে শুধু বৃহত্তমই নয়, সুদৃশ্য৷ কাচে-ঘেরা পাঁচ তলা রেলওয়ে স্টেশনের স্থাপত্যকলাও আকর্ষণীয়৷

default

জার্মানির রাজধানী বার্লিন

ভূগোল এই রকম : বার্লিনের প্রধান রেলওয়ে স্টেশনের ডাইনে জার্মান সংসদ ভবন৷ সাংসদদের কার্যালয়৷ চ্যান্সেলর দফতর৷ লিবার্টি বেল৷ টিয়ার গার্টেন৷

ব্রান্ডডেনবু্র্গ তোরণ৷ আছে ডয়চে ভেলের বার্লিন দপ্তর৷ ডি ডব্লিউ টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয়৷ এখানেই সরকারি প্রেস-কনফারেন্স ভবন৷ বামে, হামবুর্গার বানহোফ মিউজিয়ম৷ বিখ্যাত শারিটে হাসপাতাল৷ রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট৷ বিশ্ব-হস্তশিল্প মিউজিয়ম৷ পেছনে, ডাইনে-বামে, জার্মান প্রেসিডেন্টের আবাস, শ্লস্ বেলভিউ৷ আকাডেমি ডেয়ার কুন্সটে অর্থাৎ শিল্পকলা অ্যাকাডেমি৷ বিশ্বসাংস্কৃতিক কেন্দ্র৷ বার্লিন টেকনিকাল ইউনিভার্সিটি৷ শহরের এই ভূগোল ছিল না আগে৷

10 Jahre Bahn Aktion Berlin Hbf Flash-Galerie

বার্লিনের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন ইউরোপের মধ্যে শুধু বৃহত্তমই নয়, সুদৃশ্য

ইতিহাস এই রকম : বার্লিনের প্রধান রেলওয়ে স্টেশনের নাম ছিল আগে, লেয়ারটার বানহোফ৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে গরিমায় ভাটা পড়ে৷ পড়লেও,এই স্টেশনই ছিল কমিউনিস্ট আমলে পূর্ব-পশ্চিম বার্লিনে যাতায়াতে একমাত্র রেলপথ৷ লেয়ারটার বানহোফের পাশেই ছিল পূর্ব বার্লিনে ঢোকার চেক পয়েন্ট৷ লেয়ারটার বানহোফের পরেই ফ্রিডরিশস্ট্রাসে বানহোফ৷ ফ্রিডরিশস্ট্রাসে পূর্ব বার্লিনে৷ দুই বানহোফের মাঝখানে নদী৷

এই নদী এখন নেই৷ লেয়ারটার বানহোফকে বার্লিনের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন করার কারণেই নদীর গতিপথ আমূল পাল্টানো হয়েছে৷ নদীর নীচ দিয়ে পাক্কা আড়াই মাইল সুড়ঙ্গ-পথ৷ একদা-লেয়ারটার বানহোফ, বাঙালির কাছে মর্যাদাপূর্ণ, ইতিহাসমাখা৷ এই বানহোফ, তথা, স্টেশনেই ২৮ মার্চ ১৯৪১ সালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র নেমে পা রেখেছিলেন বার্লিনে৷ ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩-এ লেয়ারটার বানহোফ থেকেই কিল-এ যান৷ জার্মানি ত্যাগ করেন৷

লেয়ারটার বানহোফ আজ বার্লিনের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন৷ তাই মহাসমারোহে ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে তার ৫ বছর পূর্তি৷ এ নিয়ে অনেকের হরেক মন্তব্য৷ ভালো ও মন্দ৷

প্রতিবেদন: দাউদ হায়দার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক