1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

বাজারের চাহিদা অনলাইন ভিডিও গেমস

সিডি বা ডিভিডি নয়, যুগের দাবি মেনে ও বাজার সম্প্রসারণ করতে কম্পিউটার ভিডিও গেমস স্থান পাচ্ছে অনলাইনে৷ বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে বসেই সেই সব খেলার নাগাল পাওয়া যাচ্ছে৷

বার্লিনের এক স্টুডিওতে গেমস-এর ডাবিং চলছে৷ তাও কৃত্রিম ‘ড্র্যাকানিয়ান' ভাষায়৷ মাইকের সামনে এ ভাষায় কথা বলে, পরে তা চরিত্রগুলির কণ্ঠে ফুটিয়ে তোলা হয়৷ ‘ড্র্যাকেনস্যাং' নামের এই কম্পিউটার গেম আজকাল আর ডিভিডি হিসেবে পাওয়া যায় না৷ কারণ এর স্রষ্টা বার্লিনের বিগপয়েন্ট কোম্পানি শুধু অনলাইন গেম হিসেবেই এটি তৈরি করে৷ সরাসরি ইন্টারনেট থেকেই সেটি ডাউনলোড করে নেওয়া যায়৷

প্রথমে বিনামূল্যেই খেলা যায়৷ তারপর খেলার সময় যে অস্ত্রশস্ত্র বা ঘোড়ার প্রয়োজন হয়, তা একে একে কিনে নিতে হয়৷ বিগপয়েন্ট কোম্পানির ডেভেলপমেন্ট প্রধান ব্যার্ন্ট বায়রয়টার বলেন, ‘‘অনেকে গেম-এর পেছনে মাসে ১ বা ২ ইউরো খরচ করে৷ অনেক গেমার আছে, যারা শুধু বিনামূল্যেই খেলে যায়৷ আরেকদল কিন্তু অনেক টাকা ঢালে, এমনকি মাসে ১০০ ইউরো পর্যন্ত৷''

এভাবেই বিগপয়েন্টের ব্যবসা চলছে৷ গোটা বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ এই অনলাইন গেম খেলে৷ ইচ্ছে করলেই তারা অ্যামেরিকা বা জাপানের গেমসও  খেলতে পারে৷ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে জার্মানরা তাই নিজেদেরই নিয়ম ভাঙছে৷ গেম-এর মধ্যে ঐতিহাসিক তথ্য কিছুটা বিকৃত করছে৷ ব্যার্ন্ট বায়রয়টার বলেন, ‘‘দেখুন, জার্মানিতে মধ্যযুগ নিয়ে কল্পনা করলে সেখানে কামান বা সেপলিন উড়োজাহাজ থাকতে পারে না৷ আজকাল কিন্তু আমরাও এসব করছি৷ বাকিরা তো কবে থেকেই করছে৷ এতে বেশ একটা নতুনত্ব আসে৷ তাই আমরা সাহস করে এমন রোমাঞ্চকর এক কাল্পনিক জগত গড়ে তোলার প্রেরণা পাচ্ছি৷''

Gamescom Köln 2011

মোবাইলেও অনলাইন গেমস খেলার প্রবণতা বাড়ছে

সারাদিন ধরে খেলা বা নতুন আইডিয়া কাজে লাগানো – শুনতে বেশ রোমাঞ্চকর লাগে৷ কিন্তু বিগপয়েন্ট সহ অনেক কোম্পানি যথেষ্ট কর্মী খুঁজে পাচ্ছে না৷ শিল্পের শাখা হিসেবে কম্পিউটর গেমস শুধু জার্মানিতেই বছরে প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে উঠছে৷ প্রায় দুশো কোটি ইউরোর লেনদেন হচ্ছে৷ অর্থাৎ গেমস ডেভেলাপার হলে আর কাজ নিয়ে চিন্তা নেই৷ বার্লিনে গেমস অ্যাকাডেমি-তে সেই সুযোগ রয়েছে৷

এখানে অনেক ছাত্রছাত্রীই নিজেদের কোম্পানি খুলেছে৷ কম্পিউটার বা গেমস কনসোল নয় – স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য তারা গেমস তৈরি করছে৷ যে কোনো জায়গায়, যে কোনো সময়ে খেলার সুযোগ থাকতে হবে – এটাই সময়ের দাবি৷ হেলস্টর্ম ইন্টাব়্যাক্টিভ কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ক্রিস্টিনে বারলেবেন বলেন, ‘‘অনেক মোবাইল গেমস কম সময়ের জন্য খেলা হয়৷ তবে টানটান উত্তেজনা সত্ত্বেও মানুষ দ্রুত তা ভুলে যায়৷ আগ্রহ টিকিয়ে রাখাই আসল কৌশল৷ নতুন নতুন উপকরণ ও গুণাগুণ যোগ করে, নতুন গেমিং লেভেল, নতুন ‘স্কিন' চালু করে গেমার-দের আকর্ষণ করতে হয়৷ গেমস আকর্ষণীয় রাখতে অনেক কিছুই করা সম্ভব৷''

নিজের কোম্পানি খোলা বা অন্যের হয়ে কাজ করা – মোটকথা ছাত্রছাত্রীদের রুজি-রোজগার নিয়ে ভাবতে হয় না৷ শুধু বার্লিন শহরেই প্রায় ১৪০টি কোম্পানি কম্পিউটার গেমস তৈরি করে৷

এসবি/ডিজি

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়