1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাঙালি জাতি পালন করছে বাংলা নববর্ষ উৎসব

নানা আয়োজনে, উৎসবের মধ্যে দিয়ে বাঙালি জাতি উদযাপন করছে বাংলা নববর্ষ – ১৪১৮৷ রমনা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সকাল থেকেই নামে মানুষের ঢল৷ মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে চাইলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার৷

default

বাংলা নববর্ষ উৎসব (ফাইল ছবি)

পূব আকাশে সোনা রোদ উঁকি দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরবাসীর সব পথের গন্তব্য রমনার উদ্যানের বটমূল৷ নবীন-প্রবীণ নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে শিশু, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবারই সরব উপস্থিতি৷ স্বাগত ১৪১৮৷ নানা আয়োজনে, নানা আঙ্গিকে বর্ষবরণ চলছে দেশজুড়ে৷ ভোর সোয়া ৬টায় রাজধানীর রমনার বটমূলে শুরু হয় ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন৷ ছায়ানটের এ অনুষ্ঠান শুধু বাঙালির বর্ষবরণের প্রাণই নয়, প্রতিবাদেরও হাতিয়ার৷ আর তাই একে জঙ্গি হামলার লক্ষ্যবস্তুও হতে হয়েছে৷ ছায়ানটের শিল্পীদের কণ্ঠে বৈশাখী গানের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় নগরবাসীর বৈশাখী উৎসব৷

সকাল পৌনে নয়টায় সমাপনী বক্তব্য রাখেন ছায়ানটের সভানেত্রী সানজিদা খাতুন৷ তিনি বলেন, ‘‘আজ থেকে ৫০ বছর আগে ছায়ানটের জন্ম৷ ৫০ বছর ধরে ছায়ানট আপন ঐতিহ্যকে ছুঁয়ে দেয়ার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে৷''

ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন যখন শেষ হলো, তার পরই বাংলা একাডেমীর সামনে থেকে শুরু হলো মঙ্গল শোভাযাত্রা৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে এ শোভাযাত্রা এখন বর্ষবরণ উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ৷ ‘এসো সত্য, এসো সুন্দর, এসো মুক্তি' স্লোগানে এবারের শোভাযাত্রায় ১৯৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের রোখার ডাক দেয়া হয়েছে৷ শোভাযাত্রায় অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ৷ যুদ্ধাপরাধীর প্রতীক হিসাবে শোভাযাত্রার সামনে ঠেলাগাড়িতে ছিলো ৩৫ ফুট দীর্ঘ একটি ‘দানব' কুমির৷ তার পেটের ভেতর মানুষের রক্তাক্ত কাটা মাথা, গুলিতে ক্ষতবিক্ষত দেহ নিথর, ধর্ষিত নারী৷ কুমিরটির পিঠে চেপে বর্ষার আঘাতে তাকে ঘায়েল করতে চাইছে তিন যুবক৷ কিন্তু ফাঁক খুঁজে বৃহদাকার হাঁ মেলে বেরিয়ে যাচ্ছে এটি৷ হিংস্র কুমিরকে আটকাতে ছুটে আসছে দুটি বাঘ৷ বাঘের সঙ্গে আরো অনেক প্রাণী৷ প্রাণপণ চেষ্টা করছে সবাই৷ যেমন করেই হোক আটকাতে হবে ‘দানবকে'৷ ৪০ বছর বয়সী বাংলাদেশে এখনো আটকানো যায়নি দানব এই কুমিরকে৷ তাই তো শোভাযাত্রাই অংশ নেয়া সবাই'র দাবি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার৷

শুধু দেশি নয়, বিদেশিরাও অংশ নিয়েছেন বাঙালির এই সার্বজনীন উৎসবে৷ বললেন তাদের ভালো লাগার কথা৷

প্রতিবেদন: সমীর কুমার দে, ঢাকা

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়