1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাক স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়াচ্ছে দ্য বব্স

ডয়চে ভেলের সেরা অনলাইন অ্যাক্টিভিজম অ্যাওয়ার্ড দ্য বব্স-এর ১১তম আসর শুরু হয়েছে৷ এবার এই প্রতিযোগিতার সঙ্গে ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা’ অ্যাওয়ার্ড যোগ করেছে জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র৷

মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিতে নতুন এই অ্যাওয়ার্ডটি দ্য বব্স-এর জুরি এবং ইউজার অ্যাওয়ার্ডের সঙ্গে নতুন এক সংযোজন৷ বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া দ্য বব্স এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেই নতুন অ্যাওয়ার্ডটি প্রদান করা হবে৷ তবে এই বিভাগে বিজয়ী নির্ধারণ করবে ডয়চে ভেলে৷ এমন এক ব্যক্তি বা প্রকল্পকে এ পুরস্কারটি দেওয়া হবে, যিনি বা যাঁরা বাকস্বাধীনতা এবং মানবাধিকার রক্ষায় সক্রিয় এবং ইন্টারনেটে মুক্ত আলাপ-আলোচনাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন৷

ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ বলেছেন, ‘‘আমাদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ডয়চে ভেলের মূল ইস্যুগুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে৷ সেগুলো হচ্ছে বাকস্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি আমাদের অঙ্গীকার৷ এ বছর তিনটি মিশ্র ক্যাটাগরির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার ফলে ‘গ্লোবাল অনলাইন কমিউনিটি'-র বাইরেও বব্স-এর একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে৷''

‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা' – এই অ্যাওয়ার্ড-এর পাশাপাশি তিনটি ক্যাটেগরিতে ১৪ সদস্যের বব্স জুরিমণ্ডলী চূড়ান্ত বিজয়ীদের নির্বাচন করবেন৷ ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে সমাজিক পরিবর্তন, গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষা এবং শিল্প ও সংবাদমাধ্যম৷ ১৪টি ভাষায় এ সব ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন জমা দেয়া যাচ্ছে অনলাইনে৷

২০১৫ সালের জুরিমণ্ডলীতে চারটি ভাষায় পরিবর্তন এসেছে৷ তাঁরা হচ্ছেন নেইলা নাখাভাটি (আরবি), আলেক্সান্ডার মরোজোভ (রুশ), সানাম দোলাতশাহি (ফার্সি) এবং মাউরিসিও সান্তোরো (পর্তুগিজ)৷ চলতি আসরেও বাংলা ভাষার পক্ষে জুরিমণ্ডলীতে থাকছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম৷

ইতোমধ্যে বিশ্বের বেশ কয়েকজন স্বনামধন্য অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট দ্য বব্স অ্যাওয়ার্ড জয় করেছেন৷ কিউবার ইয়ানি সানচেন দ্য বব্স জয় করেন ২০০৮ সালে৷ তখন তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনকার মতো পরিচিত ছিলেন না৷ চীনা লেখক এবং ব্লগার লি শানপেং বব্স অ্যাওয়ার্ড জয় করেন ২০১৩ সালে৷ ২০১৪ সালে অ্যাওয়ার্ড জয় করেন মিশরের আলোকচিত্রী মুসা'আব এলসামি৷ শেষের দু'জন বাকস্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবে দ্য বব্স জয় করেন৷ তাঁরা এমন দু'টি দেশে থেকে কাজ করেছেন, যেসব দেশ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা থেকে এখনো অনেক দূরে আছে৷

মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং জুরি অ্যাওয়ার্ড ছাড়াও অনলাইন ব্যবহারকারীদের ভোটে ভাষাভিত্তিক বিভাগগুলোতে ‘ইউজার প্রাইজ' বিজয়ী নির্বাচন করা হবে৷ জুন মাসে বন শহরে অনুষ্ঠেয় গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে চলতি আসরের সমাপ্তি ঘটবে৷

ডয়চে ভেলের দ্য বব্স প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আরো তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: www.thebobs.com/bengali

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়