1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘বাইডেনের ভারত সফর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ’

মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ভারত সফরে দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাশা পূরণ হবে কিনা – তা নিয়ে দিল্লি ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক মহলে চলেছে জল্পনা৷ মূল বিষয়গুলো হলো: অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্বালানি, জলবায়ু ও প্রতিরক্ষা ৷

ভারত-মার্কিন ‘স্ট্র্যাটিজিক’ সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে পারস্পরিক আস্থার ওপর৷ সেই আস্থার জমিটা আরো গতিশীল করতে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আলোচনা করবেন ভারতের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে৷ পাশাপাশি তিনি চেষ্টা করবেন আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের জমি তৈরি করতে৷

যে চারটি প্রধান বিষয় আলাপ-আলোচনায় উঠে আসবে, তার শীর্ষে আছে অর্থনৈতিক সহযোগিতা৷ এক্ষেত্রে পাখির চোখ হবে ভারতের বিনিয়োগ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিসর বাড়ানো এবং মার্কিন মেধাস্বত্বের উপযুক্ত সুরক্ষা৷ থাকবে দু'দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমানের ১০০ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে কিভাবে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া যায় – সে প্রসঙ্গও৷

ভারতের তরফে উঠতে পারে ওবামা প্রশাসনের অভিবাসন সংস্কার নীতি৷ বিলটি বর্তমানে সেনেটের বিবেচনাধীন৷

Manmohan Singh

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং

এই বিল পাস হলে ভারতীয় অভিবাসী কর্মীদের সমস্যার আশঙ্কা দূর করে বাইডেন দিল্লিকে আশ্বস্ত করতে পারবেন এই বলে যে, এতে সমস্যা হবে না, বরং ভারতীয় কর্মীরা উপকৃত হবে বেশি৷ বিল পাস হলে এইচ-ওয়ান-বি ভিসা তিনগুণ বাড়বে দক্ষ কর্মীদের ক্ষেত্রে৷ ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটরাও অ্যামেরিকায় অস্থায়ীভাবে কাজ করতে পারবেন৷ উল্লেখ্য, বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি বলছে, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী মোদীকে মার্কিন ভিসা দেবার জন্য বিজেপি সভাপতি রাজনাথ সিং অনুরোধ করতে পারেন বাইডেনকে৷

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দু'দেশের সহযোগিতার বুনিয়াদ দৃঢ় হয়েছে গত কয়েক বছরে৷ উভয়পক্ষ চাইবে সেটাকে দৃঢ়তর করতে৷ প্রতিশ্রুতি মতো মার্কিন প্রতিরক্ষা টেকনোলজির হস্তান্তর প্রক্রিয়া এবং উচ্চ-প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করার কথা বলতে পারে ভারত৷ জ্বালানি নিরাপত্তার প্রসঙ্গে উঠবে বে-সামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তির দায়বদ্ধতা বিধি সংক্রান্ত প্রশ্ন৷ এই অন্তরায় তাড়াতাড়ি দূর করতে দিল্লিকে চাপ দেবে ওয়াশিংটন, যাতে পরমাণু উপকরণ নির্মাতা মার্কিন কোম্পানিগুলির বিনিয়োগের পথ সুগম হয়৷

দক্ষিণ এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার বৃত্তে আছে আফগানিস্তান, সমুদ্রসীমা নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস মোকাবিলা৷ এই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলি খতিয়ে দেখা হবে৷ বলা বাহুল্য, আফগানিস্তান ইস্যুতে ভারতেকে এক গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার মনে করে ওয়াশিংটন৷ মনে করে আফগান ইস্যুতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে৷ উভয় দেশ চায়, সুরক্ষিত আফগানিস্তান এবং সহনশীল পাকিস্তান৷

হালে আফগান শান্তি আলোচনার ফলাফল কী দাঁড়ালো, সে বিষয়ে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট বাইডেন দিল্লিকে অবহিত করবেন, এমনটাই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা৷ গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ এবং স্থিতিশীল আফগানিস্তান কাম্য – ভারতের এই আফগান নীতির সঙ্গে ওবামা প্রশাসন সম্পূর্ণ একমত৷ সেই লক্ষ্যে আফগান শান্তি আলোচনার শর্ত হলো, তালেবান সব সম্পর্ক ছিন্ন করবে আল-কায়েদার সঙ্গে, হিংসা বর্জন করবে এবং আফগানিস্তানের সংবিধান মেনে চলবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়