1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

বাংলার প্রেমে হাবুডুবু পোলিশ তরুণী

পোল্যান্ডের এক তরুণী ভালোবাসেন বাংলা ভাষা আর বাংলা গান৷ বিদেশি তরুণীর কণ্ঠে বাংলা গান শুনলে কোন বাঙালির ভালো না লাগবে? এ নিয়েই ডিডাব্লিউ-র ফেসবুক পাতায় বন্ধুদের করা মন্তব্য তুলে ধরা হলো আজকের পাঠক ভাবনায়৷

ডয়চে ভেলের ফেসবুকে বিদেশিনীর কণ্ঠে গাওয়া বাংলা গানের ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে আর সে গান শুনে ফেসবুক বন্ধু ইমরান খানের মন্তব্য, ‘‘আমি গর্বিত, এই সোনার বাংলার সন্তান হয়ে৷''

ফেসবুকে অসিত কুমার দাস মিন্টু লিখেছেন, ‘‘বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিশ্বের সকল সৃজনশীল মানুষ শ্রদ্ধা করছেন এবং করবেন৷ আমাদের জাতীয় সংগীত কবিগুরুর রচিত গানটি গাওয়ায় পোল্যান্ডের গায়িকাকে ডয়চে ভেলের মাধ্যমে ধন্যবাদ জানাচ্ছি৷''

পোলিশ তরুণীর বাংলা নাম জয়া৷ আর বাংলাকে এত ভালোবাসার জন্য জয়াকে ধন্যবাদ দিয়েছেন বন্ধু ফারদিন৷ আরো ধন্যবাদ দিয়েছেন মিথুন রায়, মো. স্বপন৷

মাতৃভাষাকে ভালোবাসে না এমন মানুষও কি হয়? নন্দিতা নাহার যেমন লিখেছেন, ‘‘আমাদের বাংলা ভাষাটা এমন, ভালোবাসতেই হবে৷ আসলে বাংলা, ভালোবাসতে শেখায়৷''

সাগির আহমেদের এক কথা, ‘‘সত্যিই খুব ইন্টারেসটিং!''

Hijra Day Transgender Pride Parade in Dhaka, Bangladesch

আমি গর্বিত, এই সোনার বাংলার সন্তান হয়ে৷

পাঠক সৌমিত্রের মন্তব্য, ‘‘জয়াকে ধন্যবাদ৷ ওর দেশ পোল্যান্ডকে আমরাও ভালোবাসি৷''

শওকত আলীর মন্তব্য, পোলিশ মেয়েটি বাংলা গান খুব ভালো গেয়েছেন!

আইয়ুবই, অনুপ সবার কাছেই ভালো লেগেছে জয়ার কণ্ঠে বাংলা গান৷

বিদেশিনীর কণ্ঠে বাংলা গান স্বাভাবিকভাবেই বাঙালিদের ভালো লাগার কথা আর আমাদের বেশিরভাগ ফেসবুক বন্ধুর কাছে লেগেছেও তাই৷ তবে সমালোচনা যে কেউ করেনি, তা নয়৷ যেমন সাইদুর রহমান চয়নের মন্তব্য, ‘‘তরুণীটি ঠিকমতো বাংলা কথাই বলতে পারে না৷ গানের রেকর্ডটি চালিয়ে দিয়ে মেয়েটি শুধু ঠোঁট মিলিয়েছে৷''

বিদেশি মেয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা গান গায়, বাংলাকে ভালোবাসে তা কি করে সম্ভব? ডয়চে ভেলের ফেসবুক বন্ধু নাহিউদ্দিন মুসার বিষয়টি পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারছেন না৷ তাঁর মনে রয়ে গেছে খানিকটা সন্দেহ৷ আর সে কারণেই হয়ত বা মুসার প্রশ্ন, ‘‘পোল্যান্ডের তরুণীটি কি ঠিকমতো জানে, আমরা কারা?''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন