1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাংলাদেশ ‘সরকার চাইলেই মুক্তি দিতে পারে’

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে যাতে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি’র সব সাংসদ যোগ দিতে পারেন সেজন্য কারাগারে আটক সেদলের দুই সংসদ সদস্যকে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি দেয়ার আহবান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার৷

সোমবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে৷ আর এই অধিবেশেনে যোগ দেবে বিএনপি৷ কিন্তু বিএনপির ৩ জন সংসদ সদস্য এখান কারাগারে আছেন৷ তারা হলেন এমকে আনোয়ার, বরকতউল্লা বুলু এবং সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী৷ এদের মধ্যে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচার চলছে যুদ্ধাপরাধ ট্রইবুন্যালে৷ আর এমকে আনোয়ার এবং বরকতউল্লা বুলুকে গ্রেফতার করা হয়েছে হরতালে নাশকতার মামলায়৷

জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী শনিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে এমকে আনোয়ার এবং বরকতউল্লা বুলু'র মুক্তির বিষয়টি আইনগতভাবে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তির বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর সমাধান হবে৷'' তবে স্পিকার হিসেবে তাঁর বিনীত আবেদন, যেহেতু সংসদ অধিবেশন আসন্ন তাই বিএনপি'র আটক দুই সংসদ সদস্যের মুক্তির বিষয়টি যেন আদালত আইনগতভাবে বিবেচনা করেন৷

তিনি বলেন, ‘‘বিরোধী দল সংসদে এলে তাদের দাবি নিয়ে আলোচনা হতে পারে৷ তারা যাতে কথা বলার সুযোগ পায় সে বিষয়টি দেখা হবে৷'' কিন্তু সংসদদের বাইরে কোন ধরনের আলোচনায় তাঁর ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই বলে জানান স্পিকার৷ সংসদের বাইরে আলোচনার উদ্যোগ সরকার এবং বিরোধী দলকেই নিতে হবে৷

বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ জানান, তারা বাজেট অধিবেশেনে যোগ দেবেন৷ তবে কতদিন সংসদে তারা থাকবেন তা নির্ভর করছে সরকারের আচরণের ওপর৷ সংসদে কথা বলার মত পরিবেশ তৈরি করতে হবে৷ আর সংসদে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে তারা কোন প্রস্তাব তুলবেন না৷

এদিকে বিএনপির সংসদীয় দল সংসদ অধিবেশনের আগে এমকে আনোয়ার এবং বরকতউল্লা বুলুর মুক্তির ব্যাপারে স্পিকারকে ভূমিকা রাখার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছিল৷ তার পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার যে কথা বললেন তার ফলে দুই সংসদ সদস্যের মুক্তি মিলবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি ডয়চে ভেলেক বলেন, আদালতের কাছে আহ্বান জানিয়ে কি হবে৷ আহ্বান জানাতে হবে সরকারের কাছে ৷ সরকার মিথ্যা মামলা দিয়ে বিএনপি'র এমপি এবং নেতাদের কারাগারে পাঠিয়েছে৷ সরকার মামলা তুলে নিতে পারে অথবা জামিনের বিরোধিতা না করে জামিনের ব্যবস্থা করতে পারে৷ স্পিকার কতটুকু আন্তরিক তা তারা মুক্তি পেলেই স্পষ্ট হবে৷

তিনি বলেন, ‘‘বিএনপির সিনিয়র নেতাসহ কয়েকশ নেতাকে কারাগারে রেখে সরকার তার স্বৈরাচারী চরিত্রেরই প্রকাশ ঘটাচ্ছে৷ দু'জন এমপিকে মুক্তি দিয়ে তা ঢাকা যাবেনা৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন