1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

বাংলাদেশ গার্মেন্টস সুরক্ষা চুক্তিতে রাজি বেনেটন

ইটালির বেনেটন-ও বাংলাদেশের গার্মেন্টস ফ্যাক্ট্রিগুলিতে সুরক্ষা উন্নতির চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত৷ এইচঅ্যান্ডএম, সিঅ্যান্ডএ, টেস্কো, প্রিমার্ক, ইন্ডিটেক্স প্রমুখ সংস্থা ইতিমধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরে সম্মতি প্রকাশ করেছে৷

সুইডেনের ফ্যাশন চেইন এইচঅ্যান্ডএম বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি গার্মেন্টস কেনে৷ তারা সোমবার জানায় যে তারা পাঁচ বছর মেয়াদের এবং আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক ঐ ফ্যাক্ট্রি সুরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত৷ এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেদারল্যান্ডসের সিঅ্যান্ডএ, ব্রিটেনের টেস্কো ও প্রিমার্ক, এছাড়া জারা-র মালিক স্পেনের ইন্ডিটেক্স, এরা সবাই এইচঅ্যান্ডএম-এর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করেছে৷

অবশ্য সংস্থাগুলির এই তাড়ার পিছনে সম্ভবত একটা তাড়নাও কাজ করছে: বিভিন্ন শ্রমিক অধিকার গোষ্ঠী চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য ১৫ই মে অবধি সময় দিয়েছে; নয়ত তারা ব্র্যান্ডগুলির উপর চাপ বৃদ্ধি করবে৷ গতমাসে জার্মানিতে মুখ্য ব্র্যান্ড ও পাইকারি বিক্রেতাদের আলোচনার পর ১৫ই মের ডেডলাইনটি নির্দ্দিষ্ট করা হয়৷

মুশকিল এই যে, মুখ্য মার্কিন রিটেইলারদের মধ্যে একমাত্র পিভিএইচ, যারা ক্যালভিন ক্লাইন ব্র্যান্ডের মালিক, তারাই শুধু চুক্তি স্বাক্ষর করবে বলে ঘোষণা করেছে৷ বাকিদের এখনও একটি বিষয়ে আপত্তি থেকে যাচ্ছে: ফ্যাক্ট্রি সুরক্ষা সংক্রান্ত বিরোধ যেভাবে আদালতে নিষ্পত্তি করা হবে, সেখানে তারা কিছু পরিবর্তন চায়৷ যেমন গ্যাপ ইনকর্পোরেটেড বলেছে, ‘‘ঐ একটি পরিবর্তন হলেই এই বিশ্বব্যাপী, ঐতিহাসিক চুক্তিটি সব রিটেইলারদের দ্বারাই স্বাক্ষরিত হতে পারবে, শুধু ইউরোপ ভিত্তিক রিটেইলারদের দ্বারা নয়''৷

বিশ্বের বৃহত্তম পাইকারি বিক্রেতা ওয়ালমার্ট স্টোর্স ইনকর্পোরেটেড বাংলাদেশের প্রতি একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্ট্রি বন্ধ করার ও আরেকটি পরীক্ষা করে দেখার আহ্বান জানিয়েছে৷ ওয়ালমার্টের নিজস্ব পরিদর্শকরা নাকি এই দুটি ফ্যাক্ট্রিতে সুরক্ষার সমস্যা খুঁজে পেয়েছে৷ রয়টার্সের বিবরণ অনুযায়ি ওয়ালমার্ট বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিটাগং-এর স্টিচ টোন্স অ্যাপারেলস ফ্যাক্ট্রিটিতে উৎপাদন বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছে এবং ঢাকায় নাসা গ্রুপের লিজ অ্যাপারেলস লিমিটেডের ফ্যাক্ট্রি কমপ্লেক্স পরীক্ষা করে দেখতে বলেছে৷

যেহেতু বাংলাদেশের গার্মেন্টস রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশই যায় ইউরোপে, কাজেই মার্কিন রিটেইলাররা যোগ না দিলেও ফ্যাক্ট্রি সুরক্ষা চুক্তিটি গার্মেন্টস সেক্টরে কিছু পরিবর্তন আনতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ তবে একটি মূল সমস্যা থেকে যাচ্ছে: দেখা গেছে, একটি পোলো-শার্ট যদি লন্ডনে বিক্রি হয় ৪৬ ডলার পরিমাণ মূল্যে, তাহলে তা রানা প্লাজায় কেনা হতো পাঁচ ডলারের কম দামে৷ রানা প্লাজায় খুঁজে পাওয়া ইনভয়েস থেকেই তা দেখা গেছে৷

সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের একজন গার্মেন্টস কর্মীকে তাঁর নিজের হাতে তৈরি পোলো-শার্ট লন্ডনে কিনতে হলে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মজুরি ব্যয় করতে হবে৷ স্পেনের একজন গার্মেন্টস কর্মী যা একদিনের মজুরি দিয়ে কিনতে পারবে৷

এসি/ডিজি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন