1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ড নিয়ে পাকিস্তানের মন্তব্যের প্রতিবাদ

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দুই রাজনৈতিক নেতার ফাঁসি কার্যকর নিয়ে পাকিস্তানের মন্তব্যকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ মনে করছে বাংলাদেশ৷ ইতোমধ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশটি৷

ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হয় স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাতে৷ এরপর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে তাদের ফাঁসিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক' আখ্যা দিয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে ‘ত্রুটিপূর্ণ' উল্লেখ করে৷

জবাবে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে নিজস্ব কার্যালয়ে তলব করেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মিজানুর রহমান৷ সোমবার তাঁর হাতে বাংলাদেশের প্রতিবাদলিপি তুলে দেয়া হয়৷

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, প্রকাশ্যে অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে পাকিস্তান কার্যত আবারো একাত্তরে ব্যাপক অপরাধযজ্ঞে তাদের সরাসরি অংশগ্রহণ এবং সহকারিতার প্রমাণ দিয়েছে৷ এতে আরো বলা হয়েছে যে, এভাবে মন্তব্য করে দেশটি কার্যত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে যা সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য৷

বাংলাদেশ মনে করে, একটি স্বাধীন, স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিচার করা হচ্ছে৷ এক্ষেত্রে কোনো রকম রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না৷

৬৭ বছর বয়সি মুজাহিদকে একাত্তরে গণহত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যার ষড়যন্ত্র, নির্যাতন এবং অপহরণের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়৷ অন্যদিকে, ৬৬ বছর বয়সি চৌধুরীর বিরুদ্ধে একাত্তরে নির্যাতন, ধর্ষণ এবং গণহত্যার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দেয় ঢাকার বিশেষ আদালত৷ তারা উচ্চ আদালতে আপিল করলে বিচারকরা এসব রায় বহাল রাখেন৷

উল্লেখ্য, বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী গত কয়েকবছর ধরে দাবি করে আসছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত৷ আন্তর্জাতিক একাধিক মানবাধিকার সংস্থাও বিচারকে ‘ত্রুটিপূর্ণ' আখ্যা দিয়েছে৷ তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷ আর এখন পর্যন্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি হয়েছে তিনি জামায়াত নেতার৷

এআই/এসবি (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়