বাংলাদেশে ‘দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা’ | বিশ্ব | DW | 26.02.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাংলাদেশে ‘দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা’

বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিলেন আরো দু’জন নতুন মন্ত্রী৷ বুধবার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এই দুই সংসদ সদস্য৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, মন্ত্রিসভার আকার বড় হলো কি ছোট হলো এটা তেমন কোনো বিষয় নয়৷ আসলে দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা৷

Bangladesch Erster Jahrestag der Shahbagh Bewegung 2014

ফাইল ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইমতিয়াজ আহমেদ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বর্তমানে দেশে এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে৷ আপাতদৃষ্টিতে সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে বলে মনে হলেও তা কিন্তু হয়নি৷ কারণ যে কোনো সময় বিএনপি আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারে৷ বিএনপি ছাড়া যে নির্বাচন হয়ে গেল – তারপরও বিএনপি চুপ করে থাকবে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই৷ আগামী ৫ বছর দেশে সরকার এভাবেই দেশ পরিচালনা করতে পারবে এটা ভাবাও উচিত নয়৷ বিএনপি-কে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে৷ তাই বিএনপি যখন আবার কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে তখন কিন্তু দেশে আবারও সংকট দেখা দেবে৷ সহিংস হয়ে উঠবে রাজপথ৷ অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে দেশ৷ তাই এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা৷''

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, চার দফায় অনুষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছে উপজেলা নির্বাচন৷ প্রথম দফায় জনগণ বিএনপি-র পক্ষেই মত দিয়েছে৷ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ উপজেলা নির্বাচন পুরোপুরি শেষ হলে বিএনপি নিজেদের অবস্থান বুঝতে পারবে৷ তারপরই তারা পুরো শক্তি নিয়ে রাজপথে নেমে পড়বে৷ তাই উপজেলা নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে৷ এরপরই বোঝা যাবে দেশ কোন দিকে যাচ্ছে৷ বিএনপিও কী ধরনের আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে৷ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না আসা পর্যন্ত দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারবে না৷ সবার মধ্যেই এক ধরনের সংশয় কাজ করবে৷

এদিকে মন্ত্রিসভায় নতুন যোগ দেয়া দু’জন হলেন – নির্বাচনকালীন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ এইচ মাহমুদ আলী ও নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু৷ এর মধ্যে মাহমুদ আলী পেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব আর নজরুল ইসলাম পেয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব৷ বুধবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছ থেকে তারা শপথ নিয়েছেন৷ বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল হলে এই শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও উপস্থিত ছিলেন৷ মাহমুদ আলীর সঙ্গে শপথ অনুষ্ঠানে আসেন তাঁর স্ত্রী শাহীন আলী ও ছোট ভাই মো. আলী শামীম৷ আর নজরুল ইসলামের সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ফারজানা নজরুল৷ শপথ অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়৷

শেখ হাসিনার এই সরকারে গত ১২ই জানুয়ারি শপথ নেন ৪৯ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী৷ তার দেড় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হলো৷ নতুন দু’জনকে নিয়ে মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়ালো ৫১ জনে৷ বর্তমান সরকারের এই মন্ত্রিসভায় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির তিনটি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদ রয়েছে৷ জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি প্রধান হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন মন্ত্রী হয়েছেন৷ জাতীয় পার্টি-জেপির প্রধান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন৷ বাকি সবাই আওয়ামী লীগের৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন