1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাংলাদেশে ‘দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা’

বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিলেন আরো দু’জন নতুন মন্ত্রী৷ বুধবার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এই দুই সংসদ সদস্য৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, মন্ত্রিসভার আকার বড় হলো কি ছোট হলো এটা তেমন কোনো বিষয় নয়৷ আসলে দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা৷

Bangladesch Erster Jahrestag der Shahbagh Bewegung 2014

ফাইল ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইমতিয়াজ আহমেদ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বর্তমানে দেশে এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে৷ আপাতদৃষ্টিতে সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে বলে মনে হলেও তা কিন্তু হয়নি৷ কারণ যে কোনো সময় বিএনপি আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারে৷ বিএনপি ছাড়া যে নির্বাচন হয়ে গেল – তারপরও বিএনপি চুপ করে থাকবে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই৷ আগামী ৫ বছর দেশে সরকার এভাবেই দেশ পরিচালনা করতে পারবে এটা ভাবাও উচিত নয়৷ বিএনপি-কে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে৷ তাই বিএনপি যখন আবার কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে তখন কিন্তু দেশে আবারও সংকট দেখা দেবে৷ সহিংস হয়ে উঠবে রাজপথ৷ অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে দেশ৷ তাই এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা৷''

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, চার দফায় অনুষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছে উপজেলা নির্বাচন৷ প্রথম দফায় জনগণ বিএনপি-র পক্ষেই মত দিয়েছে৷ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ উপজেলা নির্বাচন পুরোপুরি শেষ হলে বিএনপি নিজেদের অবস্থান বুঝতে পারবে৷ তারপরই তারা পুরো শক্তি নিয়ে রাজপথে নেমে পড়বে৷ তাই উপজেলা নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে৷ এরপরই বোঝা যাবে দেশ কোন দিকে যাচ্ছে৷ বিএনপিও কী ধরনের আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে৷ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না আসা পর্যন্ত দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারবে না৷ সবার মধ্যেই এক ধরনের সংশয় কাজ করবে৷

এদিকে মন্ত্রিসভায় নতুন যোগ দেয়া দু’জন হলেন – নির্বাচনকালীন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ এইচ মাহমুদ আলী ও নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু৷ এর মধ্যে মাহমুদ আলী পেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব আর নজরুল ইসলাম পেয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব৷ বুধবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছ থেকে তারা শপথ নিয়েছেন৷ বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল হলে এই শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও উপস্থিত ছিলেন৷ মাহমুদ আলীর সঙ্গে শপথ অনুষ্ঠানে আসেন তাঁর স্ত্রী শাহীন আলী ও ছোট ভাই মো. আলী শামীম৷ আর নজরুল ইসলামের সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ফারজানা নজরুল৷ শপথ অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়৷

শেখ হাসিনার এই সরকারে গত ১২ই জানুয়ারি শপথ নেন ৪৯ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী৷ তার দেড় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হলো৷ নতুন দু’জনকে নিয়ে মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়ালো ৫১ জনে৷ বর্তমান সরকারের এই মন্ত্রিসভায় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির তিনটি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদ রয়েছে৷ জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি প্রধান হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন মন্ত্রী হয়েছেন৷ জাতীয় পার্টি-জেপির প্রধান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন৷ বাকি সবাই আওয়ামী লীগের৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন