1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ'

বনের জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নেয়া বাংলাদেশের কয়েকজনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সাথে ডয়চে ভেলের ফেসবুক লাইভ আলোচনায় উঠে এসেছে পাঠকদের নানা প্রত্যাশা ও রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কে নানারকম মন্তব্য৷

‘‘জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের একটি বড় চ্যালেঞ্জ৷ এর প্রভাব এখন বাংলাদেশে লক্ষ্যণীয়৷ আমার প্রত্যাশা, সুন্দরবন রক্ষা সহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য খুব দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক৷ যাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপর কোনো প্রভাব না আসে৷ এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি কামনা করছি৷'' – বনের জলবায়ু সম্মেলনেকে ঘিরে আমাদের ফেসবুক পাতায় এই মন্তব্য করেছেন এম এ বারিক৷ এছাড়া তিনি অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের সঙ্গে লাইভ আলোচনায় রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সরকারের কী ধরনের পরিবেশ বান্ধব পরিকল্পনা রয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন৷

‘‘বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ইস্যু খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷'' – এই মন্তব্য সবুজ মাহমুদের৷ তাঁর প্রত্যাশা, কপ২৩-তে সুন্দরবনের সমৃদ্ধকরণকে গুরুত্ব দেয়া হবে৷''

ফেসবুক লাইভ নিয়ে মনির হোসেনের প্রশ্ন, ‘‘সাধারণ জনগণকে এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত করতে কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন আপনারা? আর এই আন্দোলনে যাঁরা যুক্ত হবে তাঁদের সবসময় উদবুদ্ধ করতে কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে?''

‘‘রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমাদের দরকার আছে৷'' – এই মন্তব্য মো. সবুজ খান রবির৷

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়েআন্দোলনকারীরা জনগণকে সম্পৃক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে ধারণা মর্তুজা চৌধুরীর৷

‘‘রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যাপারে ভারতের স্বার্থ আছে বলে শুনেছি, এটা কতখানি সত্য?'' প্রশ্ন করেছেন এ এইচ পারভেজ৷

 ‘‘সরকার কেন এটা করছে? এটা যদি সত্যি জনগণের স্বার্থে হতো, তাহলে এমন আত্মঘাতী প্রকল্প সরকার বাস্তবায়ন করত না!'' মনে করেন পাঠক নূর আহমেদ৷

জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর প্রভাব সম্পর্কে জার্মানরা বেশ সচেতন৷ তা এক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা কতটুকু? ফেসবুক লাইভে হারুন রশীদের এই প্রশ্ন ছিল পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নুরুল কাদিরের কাছে৷

‘‘রোহিঙ্গারা যে পাহাড় ও বন জঙ্গল ধ্বংস করে দিল, তখন আপনি চুপ কেন?'' ফেসবুক লাইভে আনু মুহাম্মদের কাছে উজ্জ্বল শেখের প্রশ্ন৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন