1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘বাংলাদেশে ছেলে মেয়ে সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে'

‘শরিয়া আইনে, বিয়ের আগে ছেলে-মেয়েদের একে অপরকে ছোঁয়া, চুমু দেয়া, জড়িয়ে ধরা অপরাধ-' ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে শরিয়া আইন চালু থাকা নিয়ে ডয়চে ভেলেতে প্রকাশিত  ছবির প্রতিবেদনটি পড়ে ফেসবুক পাতায় এমন মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ৷

শরিয়া আইন সম্পর্কে ডয়চে ভেলের ফেসবুক বন্ধু জুয়েল ইব্রাহিম তার বক্তব্য জানিয়েছেনএভাবে, ‘‘শরিয়া বা ইসলামী অনুশাসন মানুষকে ধ্বংসের পথে যেতে দেয় না৷ সৃষ্টিকর্তা আমাদের সেরা জীব হিসেবে নির্বাচন করেছেন বলে আমাদেরকে দিয়েছেন উন্নত মস্তিষ্ক, মেধা ও মনন, যাতে আমরা প্রাণীদের চেয়ে সভ্য জীবন গড়ে তুলি কিম্বা পালন করি৷ লিভ টুগেদার আর অবৈবাহিক যৌনাচার কেবল প্রাণীদের বেলায় খাটে, বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের বেলায় তা সমীচীন নয়৷''

পাঠক জুয়েল ইব্রাহিমের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে এসআই মাসুম খান তার নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এভাবে, ‘‘আমি পাঁচ মাস ছিলাম ইন্দোনেশিয়ায়৷ পৃথিবীর সবচাইতে যাযাবর দেশ ইন্দোনেশিয়া, যেখানে নারীদের কোনো সম্মান করা হয়না৷ বিবাহের আগে তারা ২থেকে ৩ মাস এক সাথে থাকে৷ ভালো লাগলে বিয়ে, না হয় আরেক জন৷''

তবে মুহাম্মদ আরিফ হুদা রুবেল কিন্তু বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালু হওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন৷ ফেসবুক পাতায় তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশের জন্য শরিয়া আইন খুবই জরুরি৷'' তাঁর মতে, ‘‘বাংলাদেশের  ছেলে-মেয়ে সবগুলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে৷'' পাঠক জুমান খানও আরিফ হুদাকে সমর্থন করেছেন৷

তবে পাঠক তনয় ভুইয়া বলছেন, ‘‘ইন্দোনেশিয়াতে শতভাগ মুসলিম আর ঐখানে এই ধরণের আইন চালু করা সম্ভব, কিন্তু আমাদের দেশে শতভাগ মুসলিম না, তাই এই ধরণের আইন চালু করা অসম্ভব৷''

অন্যদিকে পাঠক আবদুল্লাহ বলছেন পুরো ভিন্ন কথা৷ তাঁর মতে ,‘‘যে দেশের ছেলেরা বুড়া হলেও বেকার থাকে, সে দেশের ছেলে-মেয়েরা কী করবে, টাকার অভাবে বিয়ে করতে পারেনা৷ তাই দেশে শরিয়া আইন করতে গেলে সব আইন ঠিক করতে হবে৷''

আর সালেক মোহাম্মদ বলছেন,‘‘ ইন্দোনেশিয়াতে কোন আইন বা কী হচ্ছে তা আমাদের বিচার্য বিষয় না৷''

তবে ফকরুল রুবেল ও তাওহিদ কিন্তু বাংলাদেশে শরিয়া আইন চান৷ তারা মনে করেন,  ‘‘শরিয়া আইন বাংলাদেশের জন্য খুবই জরুরি৷''

আর বাংলা‌দে‌শে শরিয়া আইন চালু সম‌য়ের দাবি বলে মনে করেন ফরিদ আকন্দ৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন