1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বাংলাদেশে আরো একজন ব্রিটিশ নাগরিক আটক

তৃতীয় একজন ব্রিটিশ নাগরিককে বাংলাদেশে আটক করা হয়েছে৷ তার সহযোগী এবং দুই দেশেই তার কর্মকান্ড সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ঐ ব্রিটিশ নাগরিকের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে৷

default

প্রতীকী ছবি

ফয়সাল মোস্তফা তাঁর আইনজিবীকে বলেছেন, লন্ডনের মুসলিম পার্লামেন্টে তাঁর কাজকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের সময় দৈহিক নির্যাতন, হুমকি, দমন এবং ভীতি প্রদর্শন করা হয় তাঁকে৷ যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়৷ ফয়সাল মোস্তফা আফগানিস্তানে মুজাহেদিন হিসেবে লড়াই করেছে এবং যুক্তরাজ্যে তহবিল সংগ্রহেও কাজ করেছে৷

ফয়সাল মোস্তফা গ্রেটার ম্যানচেস্টারের, স্টকপোর্টের একজন কেমিস্ট৷ যুক্তরাজ্যে আল কায়দার হামলার প্রথম পরিকল্পনার সঙ্গে সে জড়িত ছিল, তার বিরুদ্ধে একবার এই অভিযোগ উঠেছিল৷ কিন্তু পরে সে এই অভিযোগ থেকে মুক্তি পায়৷ মোস্তফা বলেন, বৈদ্যুতিক শক দিয়ে নির্যাতনের কারণে দীর্ঘদিন তার কবজি এবং হাঁটু অকেজো ছিল৷ তার পায়ের পাতাতেও আঘাত করা হয়েছে এবং অনাহারে রাখার পাশাপাশি, দীর্ঘদিন আলো থেকেও তাকে দূরে রাখা হয়৷ মোস্তফার আইনজীবি দলের একজন গার্ডিয়ান পত্রিকাকে বলেন, ফয়সালের ওপর নির্যাতন করা হয়েছে৷ এবং তাকে মূলত প্রশ্ন করা হয়েছে যুক্তরাজ্যে কী হচ্ছে তা নিয়েই৷

গত বছরের মার্চ মাসে তাকে আটক করার পরে, আটক থাকা অবস্থায় তার ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে৷ চলতি বছরের প্রথম দিকে ফয়সাল জামিনে মুক্তি পায় এবং ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়৷ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত আরো দুইজন ব্রিটিশ নাগরিকের আটক থাকার কথা আইনজীবিরা উল্লেখ করে বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের ওপরও নির্যাতন করা হয়৷ একই সঙ্গে আইনজিবীরা বলেন, নির্যাতনের সঙ্গে যে এম১৫ জড়িত তার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে৷

গোলাম মুস্তফা নামে বার্মিংহামের একজন ব্যবসায়ির ওপরও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে৷ কয়েক সপ্তাহ জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রে থাকার পর, গত মাসে যখন তাকে আদালতে হাজির করা হয়, তখন সে ঠিকমত দাঁড়াতে পারছিল না৷ ঢাকায় সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ দলের একজন কর্মকর্তা গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ব্রিটিশ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অনুরোধেই প্রায় ১২ জন বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক সম্পর্কে তদন্ত করা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে৷ একই সঙ্গে তিনি বলেন, যেভাবে তা করা হয়েছে, তা ব্রিটিশ আই বহির্ভূত হতে পারে৷

বেশ কয়েকজন ব্রিটিশ নাগরিক বাংলাদেশে বেড়াতে এসে সন্ত্রাসবাদের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে বলে, ব্রিটিশ নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তিন বছর আগেই সতর্ক করে দিয়েছিল৷

প্রতিবেদন : ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা : আবদুস সাত্তার

সংশ্লিষ্ট বিষয়