1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাংলাদেশে আইএস-এর ভবিষ্যৎ ভাবনা

গত মার্চ মাসে গ্রেপ্তার হন জঙ্গি সংগঠন জেএমবি-র চট্টগ্রাম জেলা কমান্ডার এরশাদ হোসেন মামুন৷ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ইসলামি রাষ্ট্রে পরিণত করার জেএমবি-র একটি পরিকল্পনার কথা পুলিশকে জানান৷

Bombenanschläge in Bangladesh

(ফাইল ফটো)

একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এমন দাবি করা হয়েছে৷ ফেসবুকে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর সেটা শেয়ার করে মন্তব্য করেন আজম খান৷ জঙ্গিদের নিয়ে তিনি একটি পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা চালাচ্ছেন বলে তিনি তাঁর একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন৷ প্রকাশিত প্রতিবেদন পড়ে তাঁর যা মনে হয়েছে, ‘‘লেখাটা পড়ে যা বুঝলাম, এরা প্রথম ধাপে নীরব জেহাদ চালাচ্ছে৷ ধীরে সুস্থে আগে আদর্শিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তাদের চ্যালেঞ্জ করতে সক্ষম মানুষগুলোকে হত্যা করছে, করবে৷ দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে প্রকাশ্য জেহাদ, সরাসরি হত্যাযজ্ঞ৷ যেহেতু তারা রাষ্ট্র দ্বারা তৈরি বাহিনীসমূহকে কৃত্রিম মনে করে তাই তারা দ্বিতীয় ধাপে হামলার লক্ষ্যবস্তু৷ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি পরের ধাপের সরাসরি টার্গেট৷'' এ ব্যাপারে সেনাবাহিনী, ব়্যাব ও পুলিশের কর্মকাণ্ড নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি৷ সিরিয়া থেকে আইসিস নেতৃবৃন্দের বাংলাদেশে এসে স্থানীয় জঙ্গিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আবার ফিরে যাওয়া এবং সেটি জানতে না পারার ব্যর্থতার সমালোচনা করেন আজম খান৷

জঙ্গিদের নিয়ে গবেষণা করার কথা জানিয়ে এপ্রিল ২ তারিখে দেয়া তাঁর একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, বাংলাদেশে বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যের সংখ্যা সেনাবাহিনীর সমান বা তার চেয়ে সামান্য বেশি৷পরিস্থিতির ভয়াবহতা অনুমান করতে এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট বলেও তিনি মনে করেন৷

এদিকে, সুব্রত শুভ মার্চ ৯ তারিখে ফেসবুকে ‘হিপ্পি ও আইএসমুখী তরুণ-তরুণীরা' শীর্ষক একটি পোস্ট দেন৷ সেখানে তিনি ষাট ও সত্তরের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে হিপ্পি সংস্কৃতির আগমনের কারণ তুলে ধরেন৷ তিনি বলেন, ‘‘...অনেকে ষাটের দশকের হিপ্পি আন্দোলনে আতঙ্কগ্রস্ত হয়েছিল৷ কারণ হিপ্পি আন্দোলন ছিল প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতা-কাঠামোর বিরুদ্ধে বিপ্লব৷ যদিও হিপ্পিরা নিজেদের ক্ষমতার ভিত্তি স্থাপন করতে চায়নি৷'' অন্যদিকে বর্তমানে যারা আইএস-এর দিকে ঝুঁকছে তাদের স্বপ্ন সাদা খাতার মতো একটি পৃথিবী তৈরি করা, যে পৃথিবীতে কোনো কবি থাকবে না, কোনো লেখক থাকবে না, কেউ আকাশের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখবে না৷ ‘‘যে ছেলে রান্নাঘরে পেঁয়াজ কাটেনি সে আজ ইসলামিক বিপ্লব ও হুরের নেশায় অবলীলায় মানুষের গলা কেটে যাচ্ছে৷ আইএস-এর প্রতি তরুণ সমাজের মানসিক ও শারীরিক সমর্থন সহজে ম্লান হবে বলে মনে হয় না,'' মন্তব্য শুভর৷

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়