‘বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ সাংবাদিক ভণ্ড′ | পাঠক ভাবনা | DW | 20.01.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ সাংবাদিক ভণ্ড'

বাংলাদেশে সাংবাদিকদের অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখে পাঠকরা অনেকেই চিন্তিত৷ কারো মতে, এদের সকলেই নাকি এ কাজ করছেন৷ কেউ কেউ তো সাংবাদিকদের ‘ভণ্ড' বলেও মন্তব্য করেছেন আমাদের ফেসবুক পাতায়৷

আজকের যুগের সাংবাদিকদের সম্পর্কে পাঠক এম এ হাসানের ধারণা, তাঁরা নাকি মানসিকভাবে সুস্থ নন৷ একটি উদাহরণের মধ্য দিয়ে সেটাই জানিয়েছেন তিনি৷ লিখেছেন, ‘‘এখানকার সাংবাদিকরা সাদাকে কালো আর কালোকে সাদা করতে ওস্তাদ৷ বিখ্যাত সাহিত্যিক বাংলাদেশের অন্যতম কবি আল-মাহমুদ কত অসুস্থ, কিন্তু মিডিয়ায় তা আসেনি৷ অথচ অভিনেতা দম্পতি নিলয় আর শখের বিয়ের সংবাদে সব কিছু ছেয়ে গেছে৷ এ থেকে সাংবাদিকদের নির্বুদ্ধিতা ও মানসিক বিকারগ্রস্ততার চিত্র ফুটে উঠেছে৷''

তবে সাংবাদিকদের পুরোরপুরি অপরাধী বলতে রাজি নন আমাদের ফেসবুক বন্ধু অহিদুল৷ তাঁর মতে, ‘‘সাংবাদিকরা অপরাধের সাথে জড়িত নন, বরং কিছু অপরাধীই সাংবাদিক হয়েছেন৷ তা না হলে উপযুক্ত শিক্ষা ছাড়া কি করে কেউ মাত্র ২৮ বছরে সম্পাদক হতে পারেন?'' আসলে ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড' – এটাই বলতে চেয়েছেন পাঠক অহিদুল ইসলাম, তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে৷

অন্যদিকে কক্সবাজারের সাংবাদিক আবদুল আজিজ ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘মাদক চোরাচালানসহ আরো নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কক্সবাজারের কিছু সাংবাদিক৷ এইসব সাংবাদিক একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কাজ করেন৷ তারা বিপুল অর্থবিত্তের মালিক৷'' সাংবাদিক আবদুল আজিজের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, সাংবাদিকদের অপরাধের সাথে জড়িত হয়ে পড়ার প্রধান কারণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি৷

‘‘বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ সাংবাদিক নিরপেক্ষ না, বরং ভণ্ড৷ এরা হয় আওয়ামী লীগ, নয় বিএনপি৷ একটারও চরিত্র ঠিক নাই, সবগুলা ধান্দাবাজ৷'' বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সম্পর্কে এই কড়া মন্তব্য করেছেন ডয়চে ভেলের ফেসবুকে মো. আরিফুল হুদা৷

‘‘গণতন্ত্র আর সুশাসন যত দুর্বল হবে, ততই অপরাধ বেড়ে যাবে৷ কেউ ঘোলা পানির সুবিধা নেবে, আর কেউ সুবিচারে আস্থা হারিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেবে, যদিও সেটা কারোই কাম্য নয়৷'' দেশের একজন সচেতন নাগরিকের মতোই এ মন্তব্যটি করেছেন ডয়চে ভেলের ফেসবুকে পাঠক বি জামাল৷

সাংবাদিকতার মতো মহৎ পেশায় যাঁদের সত্যকে জনগণের সামনে তুলে ধরার কথা, তাঁরা যদি অপরাধের সাথে জাড়িয়ে যায়, তখন আর একে দুঃখ ছাড়া কী বা বলা যায়? হ্যাঁ, ঠিক এ ভাবটাই প্রকাশ পেয়েছে হারুন রশিদের ছোট্ট মন্তব্যে৷ তিনি লখেছেন, ‘‘সো স্যাড!''

আবার পাঠক মোহাম্মদ টিপু সুলতান খুবই ভীত এই ভেবে যে,‘‘সাধরণ মানুষের কী হবে সাংবাদিকরা যদি অপরাধমূলক কাজে লিপ্ত হয়৷''

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অপরাধ নাকি শুধু সাংবাদিকরাই করছে না, অর্থাৎ সকলেই অপরাধী ৷ এমনটাই বলছেন অনাথ বন্ধু দেবনাথ৷

বাংলাদেশে সবাই যখন অপরাধ করছে, ওরাই বা কেন পিছনে থাকবে? এই সোজা সাপটা প্রশ্ন রাজা আহমেদের৷

রাজা আহমেদ এবং অনাথবন্ধুর প্রশ্নের উত্তরে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন আরেক বন্ধু৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘আপনাদের কাছে বাংলাদেশের সবাই খারাপ, তাই না?''

সমকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন