1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বাংলাদেশের স্কুল বাচ্চাদের সাহায্যে জার্মানি

বিখ্যাত জার্মান ফুটবল তারকা টোমাস ম্যুলার এবং জার্মানির ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ‘রেভে’ ও অপর এক কোম্পানি ‘ইউনিলিভার’ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছে৷

‘আনফিফ’ বা ‘হুইসেল’ নামে একটি প্রকল্প তৈরির মধ্যে দিয়ে তারা বাড়িয়ে দিয়েছেন সাহায্যের হাত৷

‘আনফিফ' বা ‘হুইসেল' প্রকল্পটি এ রকম: রেভে তার গ্রাহকদের উৎসাহিত করছেন দুই প্যাকেট ‘বিফি' কেনার জন্য৷ এখানে বলা প্রয়োজন, ‘বিফি' হলো ‘ইউনিলিভার' কোম্পানির তৈরি ‘বিফ' বা গরুর মাংসের ‘সসেজ', যা বাচ্চাদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার৷ সাধারণত এক-একটি প্যাকেটে পাঁচটি করে সসেজ থাকে৷ তা প্রকল্পটি অনুযায়ী, কেউ যদি এরকম দু'টি প্যাকেট কেনেন, তাহলে তার বিনিময়ে বাংলাদেশের একটি স্কুলের সব বাচ্চাদের বিনে পয়সায় একদিনের একবেলার খাবার হতে পারে৷

গত বছরের মতো এ বছরও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন টোমাস ম্যুলার৷

Thomas Müller bifi Werbung

‘বিফি'র বিজ্ঞাপনে টোমাস ম্যুলার

তার সঙ্গে সঙ্গে ‘রেভে' ও ‘ইউনিলিভার'-কেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি৷ বিশ্বখ্যাত এই খেলোয়াড় নিশ্চিত যে, ‘‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের হাজারো শিশুর জীবন সুন্দর হতে পারে৷ বাচ্চাদের বিনে পয়সায় খাবার দেয়ার মাধ্যমে ওদের পরিবারগুলোকেও সাহায্য করা হচ্ছে, যাতে তারা তাদের বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে পারে এবং বাচ্চারা লেখাপড়া করে নিজ নিজ ভবিষ্যৎ গড়তে পারে৷''

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বিনে পয়সায় স্কুলে খাবার যোগানোর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে বাচ্চাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সাহায্য করছে এবং করবে৷ গত চার বছর ধরে ইউনিলিভার এই প্রকল্পটির সাথে কাজ করছে৷ এবং এরই মধ্যে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি স্কুলের বাচ্চাদের জন্য প্রায় ৭০ লাখ বার খাবার দেওয়া হয়েছে৷ এর ফলে বাচ্চারা শারীরিক এবং মানসিকভাবে যে কতটা লাভবান হচ্ছে, তা লক্ষ্যণীয়৷

এই প্রকল্পেটির মধ্য দিয়ে ১১ বছর বয়সি সাবিনার মতো অনেক বাংলাদেশি মেয়েকে সাহায্য করা হচ্ছে, যাতে ওরা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে৷ বাংলাদেশে শুধুমাত্র অপুষ্টিতেই ভোগে প্রায় ছয় কোটি মানুষ, যাদের মধ্যে ৭০ লাখই শিশু৷ সাবিনার স্বপ্ন, সে বড় হয়ে একজন শিক্ষক হবে৷

আগামী ২২ থেকে ২৭ জুলাই ‘রেভে' ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ক্রেতারা ‘বিফি' এবং ‘ইউনিলিভার'-এর অন্যান্য জিনিস কিনে বাচ্চাদের সাহায্য করতে পারেন৷ বিফিসহ মার্জারিন, স্যুপ, ম্যাগনাম ও লাংনেজে আইসক্রিমের তো কিছু জিনিস কিনেও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে সাহায্য করা যেতে পারে, যাতে বাংলাদেশের বাচ্চারাও অন্য বাচ্চাদের মতো ভালো থাকতে পারে, দেখতে পারে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন