1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাংলাদেশের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ২৪ ঘণ্টা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগামী ২৪ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে খালেদা জিয়া কি বলবেন, নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতিকে কি জানালেন – এসব নিয়ে দেশজুড়ে চলছে আলোচনা৷

শেষ পর্যন্ত বিএনপি কি নির্বাচনে যাবে, গেলেও তা বর্তমান প্রধামন্ত্রীর অধীনে কিনা, নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার প্রকৃত আকার কত বড় হবে – এমন সব প্রশ্নের উত্তর পেতে আর ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না, বলে মনে করেন জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদ জানিপপ-এর প্রধান অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ৷ তাঁর মতে, এরপর সব কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে৷

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খালেদা জিয়া বৈঠক করবেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে৷ তবে তার আগেই বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজি রকিবউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেছেন৷ সেখানে আলোচনায় জানুয়ারির প্রথমভাগে সংসদ নির্বাচন এবং তফশিল প্রাধান্য পেয়েছে বলে জানা গেছে৷

এদিকে বিএনপি চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চাইছে, বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷ জানা গেছে, বিএনপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রপতির অধীনে নির্বাচন চাইতে পারে৷ আর তা সম্ভব হলে তাঁরা সর্বদলীয় সরকারে যোগ ও নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে৷ মির্জা ফখরুল বলেন এখন যে সর্বদলীয় সরকারের কথা বলা হচ্ছে তা সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়৷ তাই রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা তাঁরা আশা করেন৷

এদিকে যে-কোনো সময় সর্বদলীয় সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গেজেট প্রকাশ করা হবে৷ তাতে দপ্তরও বণ্টন করা হবে৷ বিকেল নাগাদ এব্যাপারে ঘোষণা না আসলেও সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে বলে জানা গেছে৷ যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন বিএনপি সর্বদলীয় সরকারে যোগ দিলে তাদের ১২ জনকে মন্ত্রী করা হতে পারে৷

জানিপপ-এর প্রধান অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ ডয়চে ভেলেকে বলেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের চলমান রাজনীতির অনেক বিষয় পরিস্কার হয়ে যাবে৷ তিনি বলেন শেষ মুহূর্তে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট' বিএনএফ-এর নিবন্ধন খুবই ইঙ্গিতপূর্ণ৷ তিনি বলেন বিএনপি যদি রাষ্ট্রপতির অধীনে নির্বাচনের প্রস্তাব দেয় তা আওয়ামী লীগ মানবে বলে মনে হয় না৷ আর তখন বিএনপি স্বাভাবিক কারণেই আন্দোলনের দিকেই থাকবে৷ অন্যদিকে আওয়ামী লীগ তাদের সর্বদলীয় মন্ত্রিসভাকে সর্বদলীয় করতে আরো কিছু উদ্যোগ নিতে পারে৷ সেক্ষেত্রে বিএনএফ-এ কোনো বিএনপি নেতার যোগ দিয়ে সর্বদলীয় সরকারের মন্ত্রীত্ব গ্রহণের আহ্বান থাকতে পারে আওয়ামী লীগের দিক থেকে৷

তাহলে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের কি হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, নির্বাচন হলে তা হয়তো বিএনপিকে বাদ দিয়েই হবে৷ অথবা অন্তর্বর্তী সর্বদলীয় সরকারের মেয়াদ দীর্ঘ সময়েরও হতে পারে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়