1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বাংলাদেশের জন্মের জন্য গেয়েছিলেন হ্যারিসন

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সাড়া ফেলেছিল দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ৷ সেই কনসার্টের আয়োজকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উঠেছে বাংলাদেশে৷

default

মুক্তিযুদ্ধে জর্জ হ্যারিসন-এর ভূমিকাকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেবার দাবি উঠেছে

দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ, ১৯৭১ সালের ১লা আগষ্ট৷ নিউ ইর্য়কের ম্যাডিসন স্কয়ারে হাজার হাজার মানুষ৷ সবার মুখে একটিই শব্দ... বাংলাদেশ৷ যুদ্ধ কবলিত বাংলাদেশকে রক্ষার এবং সাহায্যের হাত বাড়াতেই এই কনসার্টের আয়াজন৷ বিশ্বখ্যাত ভারতীয় সঙ্গীতকার ও সেতারশিল্পী পন্ডিত রবিশংকরের বিশেষ উৎসাহেই কনসার্টটি আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন

Ravi Shankar

বিশ্বখ্যাত ভারতীয় সঙ্গীতকার ও সেতারশিল্পী পন্ডিত রবিশংকরের বিশেষ উৎসাহেই কনসার্টটি আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রবাদপ্রতিম বিটলস গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান সদস্য জর্জ হ্যারিসন৷

প্রবাদপ্রতিম বিটলস গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান সদস্য জর্জ হ্যারিসন ৷ সেদিনের পর সেই কনসার্ট হয়ে গেল কিংবদন্তী৷

সাঁইত্রিশ বছরেও বিটলস খ্যাত জর্জ হ্যারিসন এবং তাঁর সহযোগীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এখন বাংলাদেশের উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন আইনজীবী মাসুদ সোবহান৷ তিনি সরকারের কাছে এই বিশিষ্ট প্রাত গায়ককে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন করেছেন৷ তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত লজ্জার এবং হতাশার ব্যাপার৷ কারণ কিছু মহৎ লোকের কাজের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য আদালতে যেতে হচ্ছে৷

মাসুদ সোবহান ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পক্ষে সক্রিয় তৎপরতার জন্য মার্কিন সেনেটর টেড কেনেডিকেও স্বীকৃতি দেবার দাবি করেছেন৷ পাশাপাশি ১৯৭১ সালে বহু বাংলাদেশীকে শরণার্থী হিসেবে ভারতে থাকার সুযোগ দেয়ায় দেশটির প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রতিও আনুষ্ঠানিক কৃতজ্ঞতা জানানো উচিৎ বলে মনে করেন সোবহান৷

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থনে, তখনকার গণহত্যার প্রতিবাদে সেই সময়ের বিশ্ব কাঁপানো সংগীত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন এই কনসার্টে ৷ মূলত শরনার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা এবং স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের সাহায্যার্থে এই কনসার্টের উদ্যোগ নিয়েছিলেন সেতার সম্রাট রবিশংকর৷ জর্জ হ্যারিসনের 'বাংলদেশ..বাংলাদেশ ' গানে ফুটে উঠেছে এই কনসার্ট এর কারণ এবং মুক্তিযুদ্ধের বর্ণনা ৷ তাঁর সেই উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহযোগিতায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, তার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অস্তিত্বের কথা, গণহত্যার কথা , লক্ষ লক্ষ শরনার্থীর যন্ত্রণার কথা ফুটে উঠেছে৷ ইউনিসেফ জর্জ হ্যারিসনের সেই অবদানের স্মরণে একটি বিশেষ ফান্ড তৈরী করে, যার নাম দেওয়া হয় 'দ্য জর্জ হ্যারিসন ফান্ড ফর ইউনিসেফ' ৷

সে সময় এই কনসার্টে অংশ নেন পন্ডিত রবিশংকরের সঙ্গে বিশ্বখ্যাত সরোদ শিল্পী ওস্তাদ আলি আকবর খান ও কিংবদন্তী তবলিয়া ওস্তাদ আল্লারাখা৷ উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমের সঙ্গীতজগতের উজ্জ্বল সব নাম৷ যেমন এরিক ক্লাপটন, বব ডিলান, রিঙ্গে স্টার, বিলি প্রিষ্টন, লিয়ন রাসেল, টম এভান্সসহ আরও অনেকে৷