বাংলাদেশিসহ ১,৬০০ রোহিঙ্গা উদ্ধার | বিশ্ব | DW | 11.05.2015
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বাংলাদেশিসহ ১,৬০০ রোহিঙ্গা উদ্ধার

গত কয়েক দিনে অন্ততপক্ষে ১,৬০০ জন শরণার্থী ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছেছেন৷ শরণার্থীদের বেশিরভাগ রোহিঙ্গা হলেও, তাঁদের মধ্যে বেশ কিছু বাংলাদেশিও রয়েছে বলে জানা গেছে৷

রবিবার চারটি নৌ-যানে করে ৬০০ শরণার্থী ইন্দোনেশিয়ার উপকূলীয় আচে প্রদেশে পৌঁছায়৷ একই দিনে উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ লাংকাওইতে পৌঁছায় এক হাজার ১৮ জন শরণার্থী৷ সমুদ্র পথে ভাগ্যান্বষণে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করা মানুষগুলোর অধিকাংশই মিয়ানমারের রোহিঙ্গা৷

প্রসঙ্গত, মুসলিম সম্প্রদায়ের এই জণগোষ্ঠীকে মিয়ানমার সরকার ‘বাংলাদেশি বহিরাগত' হিসেবে গণ্য করে৷ অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই বলে আসছে যে, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক৷ দু'দেশেই বৈধভাবে পূর্ণ নাগরিকত্ব না পাওয়া রোহিঙ্গারা তাই কয়েক বছর ধরে সমুদ্র পথে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আশ্রয় গ্রহণের চেষ্টা করছেন৷ আর সেটা করতে গিয়ে মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ছেন তাঁরা৷ গত দু'দিনে ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশ করা ১৬ মানুষও অন্তত দু'মাস মানব পাচারকারীদের খপ্পরে ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে৷

লাংকাওই দ্বীপের পুলিশের উপ-প্রধান জামিল আহমেদ বার্তা সংস্থা এপি-কে জানান, রবিবার উদ্ধার করা এক হাজার ১৮ জনের মধ্যে ৫২ জন শিশু, ১০১ জন নারী এবং বাকি ৮৬৫ জন পুরুষ৷

Rohingya flüchten nach Indonesien

উদ্ধার করা এক হাজার ১৮ জনের মধ্যে ৫২ জন শিশু, ১০১ জন নারী (ফাইল ফটো)

পুলিশকে এক বাংলাদেশি জানিয়েছেন যে, পাচারকারীরা তাঁদের ফেলে রেখে পালিয়েছে৷ তিনদিন ধরে তাঁরা কিছু খাননি বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ পুলিশ কর্মকর্তা জামিল আহমেদ জানান, আশয় প্রার্থীরা শারীরিকভাবে খুব দুর্বল হয়ে পড়েছেন৷

ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশের পর শরণার্থীদের আচে প্রদেশের রাজধানী লোকসুকোনে নিয়ে যাওয়া হয়৷ আপাতত সেই শহরের একটি স্টেডিয়ামে তাঁদের রাখা হয়েছে৷ সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সেবা শুশ্রূষার পাশাপাশি তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হবে৷

এদিকে গত কয়েকদিনে মানবপাচারকারীদের মধ্যে অভিবাসন প্রত্যাশীদের ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখে আরাকান প্রকল্পের পরিচালক ক্রিস লেওয়া উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷ প্রকল্পটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছে৷ ক্রিস লেওয়া জানান, অভিবাসন প্রত্যাশীদের কারো কারো পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ হিসেবে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেছে মানব পাচারকারীরা৷ পরে অবশ্য মুক্তিপণ দেয়া মানুষগুলোকেও সমুদ্রে অসহায় অবস্থায় রেখে পালিয়েছে পাচারকারীরা৷

এসিবি/ডিজি (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়