1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বলিউড বনাম হলিউড, কে হবে সেরা ব্লন্ড!

নাওমি ওয়াটসের সঙ্গে এবার পাল্লা টানতে হবে কারিনা কাপুরকে৷ দুজনেই মেরিলিন মনরো সাজছেন, একজন বলিউডে আর অন্যজন হলিউডে৷ শ্যুটিং শুরু নতুন বছরের গোড়ায়৷ কে তাহলে এই নতুন শতাব্দের ‘ব্লন্ড’?

বলিউড, হলিউড,Bollywood,Hollywood,Karina Kapoor,Naomi watts,রবীন্দ্রনাথ,কারিনা কাপুর,শ্যুটিং,ব্লন্ড,পুরুষ,J F Kenedy,USA,Beauty,Marilyn Monroe,মেরিলিন মনরো,প্রেম,যৌনতা,ভোগ, বিলাস

রূপ,লাস্য আর বিভঙ্গের আরেক নাম মেরিলিনের স্টিলস

রবীন্দ্রনাথ তাঁর উর্বশী কবিতায় লিখেছিলেন, ‘অকস্মাৎ পুরুষের বক্ষমাঝে চিত্ত আত্মহারা/ নাচে রক্তধারা... ' গত শতকের সেরার সেরা রহস্যময়ী স্বর্ণকেশী নীলনয়না সুন্দরী মেরিলিন মনরো ছিলেন সেই তেমনই এক শাপভ্রষ্ট উর্বশী হয়তো বা৷

আসল নাম নর্মা জিন বেকার৷ সাদামাটা গ্রামের এক বালিকা বধূ হলিউড মাত করে দিয়ে গিয়েছিল তার অসামান্য রূপ আর ক্ষণজন্মা অভিনয় প্রতিভার প্রভায়৷ খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি থেকে শুরু করে কে তার প্রেমে পড়েনি? মেরিলিন চির রহস্যময়ী নারী প্রতিমা৷ ১৯৬২ সালে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে আত্মহত্যা৷ তার আগে এক উদ্দাম প্রেম যৌনতায় মাখামাখি জীবন৷ যাতে ভোগ বিলাস থেকে শুরু করে রূপ, আনন্দ, গরল সবকিছুই বহে গেছে যেন হিল্লোলের মত৷ মেরিলিন মানেই এক কখনো না সমাধান হওয়া মিথ৷

Schauspielerin Kareena Kapoor

কারিনার সামনে এখন হলিউডের চ্যালেঞ্জ

এই মিথকেই এবার রূপোলি পর্দায় আনবেন মধুর ভান্ডারকর৷ যে ছবিতে মেরিলিনের জীবন, মেরিলিনকে ঘিরে অসাধিত সব প্রশ্ন ফুটে উঠবে৷ বেছে নিয়েছেন মধুর বলিউডের একমাত্র জিরো ফিগারের মালকিন কারিনা কাপুরকে৷ কারিনাও সব কাজ ফেলে তৈরি করছেন নিজেকে৷ এ সুযোগ তো লাইফটাইম৷ আর কখনো মিলবে না৷ কিন্তু আটলান্টিকের ওপারেও মেরিলিনকে নিয়ে ছবি হচ্ছে৷ সেখানে কিং কং -এর নায়িকা আরেক সাগরসেঁচা সবুজ চোখের সুন্দরী নাওমি ওয়াটস সাজছেন ব্লন্ড, মানে মেরিলিন৷

‘ব্লন্ড'-ই হবে হয়তো সে ছবির নাম৷ কারণ, ছবির মূল আধার হল জয়েস ক্যারলের সেই বিশ্বখ্যাত সাতশো পাতার বইখানা৷ মেরিলিনের জীবন নিয়ে লেখা যে বিতর্কিত বইয়ের নামও ‘ব্লন্ড'৷ যে বইতে মেরিলিন নামের সোনালি চুল আর নীলনয়নার জীবনের খুঁটিনাটি তুলে ধরেছিলেন জয়েস৷

তাই একটা হাড্ডাহাড্ডি হবে৷ মানে লড়াই৷ বলিউড নাকি হলিউড, কোন মেরিলিন শেষ পর্যন্ত টেক্বা মারে, সেটা জানতে এখন একটু অপেক্ষা দরকার৷ শোনা যাচ্ছে, দুটো ছবিই ফ্লোরে ঢুকে পড়বে নতুন বছরের গোড়ায়৷

তার মানে ২০১১ সালটা ব্লন্ডের বছর৷

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম