1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘বলকান রুট' বন্ধের সমালোচনা করলেন ম্যার্কেল

উদ্বাস্তুদের তুরস্ক থেকে গ্রিস হয়ে মধ্য ইউরোপে যাবার পথ, তথাকথিত বলকান রুট, প্রায় বন্ধ৷ সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও ম্যাসেডোনিয়া উদ্বাস্তুদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করাই ‘‘সমগ্র সমস্যার সমাধান নয়'', বলেছেন ম্যার্কেল৷

বৃহস্পতিবার জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেন যে, এভাবে উদ্বাস্তুর স্রোত বন্ধ করার প্রচেষ্টা সফল হবে না, যদি না ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বাস্তু সংকটের প্রতি প্রশস্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়৷ বলকান দেশগুলি যা করছে, তা সমগ্র সমস্যার সমাধান হতে পারে না৷ বরং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮টি সদস্যদেশের মধ্যে ঐকমত্যের প্রয়োজন৷

মনে রাখা দরকার, ইউরোপীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টুস্ক কিন্তু ইতিপূর্বে বলকান দেশগুলির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন এই বলে যে, বলকান দেশগুলি উদ্বাস্তু সংকটের মোকাবিলার জন্য ইইউ-এর পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাস্তবায়িত করছে৷ অপরদিকে ম্যার্কেল বলেন যে, ইউরোপ যদি উদ্বাস্তুদের হতাশ করে, তাহলে ইতিহাস তার কঠিন বিচার করবে৷

বলকান দেশগুলির সিদ্ধান্ত ঘোষিত হওয়ার পর ম্যার্কেল জার্মানির সরকারি এমডিআর বেতারকে বলেন যে, ‘‘একক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমস্যার সমাধান করা যায় না৷ এই পরিস্থিতি টেকসই বা স্থায়ী নয়৷ ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি যে, অস্ট্রিয়ার একক সিদ্ধান্ত, তারপর বলকান দেশগুলির সিদ্ধান্তের ফলে স্পষ্টতই আরো কম উদ্বাস্তু আসবে, কিন্তু গ্রিস একটি বিশেষ সমস্যাকর পরিস্থিতিতে পড়বে৷''

‘‘আমরা যদি তুরস্কের সাথে সমঝোতায় না আসতে পারি, তাহলে গ্রিস বেশি দিন এই বোঝা টানতে পারবে না'', বলে ম্যার্কেল মনে করেন, যে কারণে তিনি ‘‘একটি বাস্তবিক ইউরোপীয় সমাধানের'' সন্ধান করছেন৷ অপরদিকে গ্রিসে আটকে পড়া উদ্বাস্তু বা শরণার্থীদের কাছে তাদের ত্রাণকর্ত্রী যে কে, ডয়চে ভেলের অলিভার সালে-র ম্যাসেডোনিয়ার ইদোমেনি সীমান্ত থেকে পাঠানো একটি ভিডিও-তে তা স্পষ্ট হয়ে যায়৷

তুরস্ক গ্রিস থেকে উদ্বাস্তুদের ফেরত নিতে রাজি, অথবা বলকান রুট বন্ধ বলেই যে জার্মানিতে উদ্বাস্তুদের আগমন বন্ধ হয়ে যাবে, এটা প্রত্যাশা করা সম্ভবত ভুল হবে৷ লন্ডনের ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর একটি গ্র্যাফিকে দেখানো হয়েছে, উদ্বাস্তুরা কিভাবে বিকল্প রুটের খোঁজ করছে অথবা করতে পারে৷

এসি/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স, ডিডাব্লিউ)

ম্যার্কেল কি তাঁর শরণার্থী নীতিতে সফল হবেন? জানান মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়