1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘বর্ধমান বিস্ফোরণে জড়িতদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন মমতা’

ভারতের বর্ধমান বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মিয়ানমারের তিন নাগরিককে ঢাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি এবং এই বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশে চলছে ব্যাপক আলোচনা৷

ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি-র সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে গোয়েন্দা পুলিশের ধারণা৷ রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে লালবাগ এতিমখানা মোড় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়৷ তাদের কাছে পাঁচটি ডেটোনেটর, দুটি জেল বোমা এবং বিস্ফোরক তৈরির উপাদান পাওয়া গেছে বলে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাঈদুর রহমান জানান৷

তিনি বলেছেন, এরা রোহিঙ্গা জঙ্গি৷ মিয়ানমারের জঙ্গি সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও), আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন (এআরইউ) ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বেসরকারি সংগঠন গ্লোবাল রেহিঙ্গা সেন্টারের (জিআরসি) সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে৷

গত ২রা অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে একটি বাড়িতে বিস্ফোরণে দু'জন নিহত হওয়ার পর তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-র কর্মকর্তারা বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সম্পৃক্ততার কথা জানায়৷

ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের মধ্যে শেখ রহমতুল্লাহ সাজিদ নারায়ণগঞ্জের মাসুম বলে বাংলাদেশের গোয়েন্দারাও নিশ্চিত হয়েছেন৷

গ্রেপ্তারের খবরটি বাংলাদেশের প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে৷

ভারতের নাগরিক নীলিমা দত্ত এবং অনুরাধা সেনগুপ্তা টুইটারে এইআইএ-র তদন্তে গাফিলতি সংক্রান্ত একটি সংবাদ শেয়ার করেছেন৷

সেলিম সামাদ কলকাতায় বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের জেএমবি সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের খবরটি শেয়ার করেছেন৷

রাজেশ ঘোষ লিখেছেন, বর্ধমান বিস্ফোরণে জড়িতদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি৷

এ সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম সিএনএন-আইবিএন নিউজ৷

এ এম জাহিদ এবং আসাদ ইকবাল তিন জেএমবি সদস্যদের গ্রেপ্তারের খবরটি শেয়ার করেছেন৷

বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের পশ্চিমবঙ্গে তদন্তের বিষয়টি নিয়ে টুইটারে টুইট করেছেন কিশোর কর ৷

সংকলন: অমৃতা পারভেজ

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়