1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বর্জ্য থেকে হোটেল

পরিকল্পনা আর উদ্ভাবনী মনন থাকলে তুচ্ছ জিনিস থেকেও হতে পারে অনেক কিছু৷ আর এইচএ শুল্টের তো শিল্পীমন৷ শুধু তাই নয়, পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা বুকে ধারণ করে আছেন এই জার্মান৷

default

রোমের সেই হোটেল

তাই সৌন্দর্য বর্ধনে বর্জ্য ব্যবহার করে এ ধরাকে মুক্তি দিতে চাইছেন তিনি৷

আবর্জনা নিয়ে দীর্ঘদিনের কায়কারবার শুল্টের৷ এর সর্বশেষ প্রোজেক্ট হলো হোটেল৷ ইতালির রোমে তিনি যে হোটেলটি বানিয়েছেন, তার তিনটি কক্ষ সাজাতেই ব্যবহার করা হয়েছে ১২ টন বর্জ্য৷ বিয়ারের ক্যান, গাড়ির চাকা, সংবাদপত্র, জুতা-মোজা, ক্যামেরা, ফুটবল- কী নেই এর মধ্যে৷ এসব জোগাড় করা হয়েছিলো ইউরোপের বিভিন্ন সৈকত থেকে৷ এরপর পরিশোধনের জন্য তা পাঠানো হয় জার্মানিতে৷ এরপরই তা ফিরিয়ে নেওয়া হয় রোমে৷ লাগে হোটেলসজ্জায়৷ আর এই ধরনের হোটেল বিশ্বে এটাই প্রথম৷ ভ্যাটিকানের কাছেই নির্মিত হয়েছে হোটেলটি৷

পরিবেশ বাঁচানোর জন্য মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যেই শুল্টের এই প্রয়াস৷ তিনি চান, মানুষ দেখুক, কী পরিমাণ বর্জ্য তারা প্রতিদিন উৎপাদন করে৷ তাঁর ভাষায়, একটা নষ্ট সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা৷ নষ্ট জিনিস উৎপাদন করছি৷ আমাদের পতনের দেরি নাই৷ গত ৫ জুন আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবসে শুল্টের হোটেলের যাত্রা শুরু হয়৷ এর প্রথম অতিথি ছিলেন ডেনমার্কের ফ্যাশন তারকা হেলেনা ক্রিস্টেনসেন৷

আবর্জনা নিয়ে সেই ৬০ এর দশক থেকে শুরু করে বহু কাজ করেছেন শুল্ট৷ তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ‘বর্জ্যমানব'৷ এসব ভাস্কর্য শোভা পাচ্ছে রোম, নিউ ইয়র্ক, মস্কোসহ বিভিন্ন শহরে৷

হোটেলটি বানাতেও বিশ্বের নানা স্থান থেকে বর্জ্য এনেছেন শুল্ট৷ কারণ, বর্জ্যের ভারে ভারাক্রান্ত এখন গোটা পৃথিবী৷ তার প্রতীক হিসেবেই এই পরিকল্পনা৷ শুল্ট বলেন, আসলে আবর্জনাময় একটি বিশ্বেই এখন আমরা বাস করি৷

প্রতিবেদন: মনিরুল ইসলাম
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়