1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জলবায়ু পরিবর্তন

বন জলবায়ু সম্মেলন নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন

জার্মানির প্রাক্তন রাজধানী বনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলন কপ২৩৷ বিশ্বের ১৯৭টি দেশের ২৩,০০০ প্রতিনিধি ১২ দিনের এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন৷ আলোচিত এই সম্মেলন সম্পর্কে পাঁচটি প্রশ্ন ও তার উত্তর পাবেন এখানে৷

প্রশ্ন: বনে কারা হাজির হচ্ছেন?

উত্তর: জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত নানা ইস্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনীতিবিদরা ছাড়াও বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ অ্যাক্টিভিস্টরা এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানরা বনে কপ২৩ জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন এবং নেবেন৷ অন্যান্যদের মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ গুরুত্বপূর্ণ এই জলবায়ু সম্মেলনে থাকছেন৷ হলিউড তারকা লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট আল গোরকেও দেখা যাবে সম্মেলনে৷ 

কপ২৩ এর প্রেসিডিং এর দায়িত্ব ফিজি'র হওয়া সত্ত্বেও বনে কেন সম্মেলন হচ্ছে?

জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন সাধারণত প্রেসিডিং কান্ট্রিতে অনুষ্ঠিত হয়৷ এ বছর সেই দেশটি ফিজি৷ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে সম্মেলন আয়োজন করা গেলে তা বাড়তি গুরুত্ব পেতো৷ কিন্তু এতবড় সম্মেলন আয়োজন ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্রটির পক্ষে বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার হওয়ায় জার্মানি সহায়তার হাত বাড়ায়, কারিগরি আয়োজকের দায়িত্ব গ্রহণ করে জার্মানি৷

মোটের উপর জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা ইউএনএফসিসিসি'র সদরদপ্তর বনে অবস্থিত৷ আর এই শহরেই কপ১ অনুষ্ঠিত হয়েছিল যখন বর্তমান চ্যান্সেলর ম্যার্কেল পরিবেশমন্ত্রী ছিলেন৷ ফলে বনে এই সম্মেলন আয়োজনের ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে৷

প্যারিস সমঝোতা দুই বছর আগে গ্রহণ করা হয়৷ এখনও তাহলে কী করা বাকি আছে?

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে সম্পাদিত প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এক বড় সাফল্য৷ বিশ্বের ১৬৯টি দেশ এই চুক্তি অনুমোদন করেছে৷ তবে এই চুক্তি বাস্তবায়ন এখনো এক ইস্যু হিসেবে রয়ে গেছে৷ আর চুক্তির কিছু বিষয় এখনো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ সম্ভব হয়নি৷ আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি থেকে সরে যাওয়ায় এটির গুরুত্বও খানিকটা কমে গেছে৷

প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য কী?

প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা কিংবা সম্ভব হলে এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রির মধ্যে রাখা৷ বলাবাহুল্য, এই লক্ষ্য পূরণ সম্ভব হলেও তা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হবে৷ তবে সেই ক্ষতি লাগামহীন উষ্ণতা বৃদ্ধির তুলনায় কম৷ আর এই লক্ষ্য পূরণে দেশগুলোকে কঠোর উদ্যোগ নিতে হবে৷

বনে তাহলে কী হচ্ছে?

বন সম্মেলনে প্যারিস চুক্তির আওতায় একটি নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করা হবে যাতে দেশগুলো তাদের জন্য নির্ধারিত জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করছে কিনা তার দিকে নজর রাখা সম্ভব হয়৷ পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মধ্যে তুলনা করাও সম্ভব হবে এই কাঠামোর আওতায়৷ চলতি সম্মেলনে এই কাঠামোর খসড়া চূড়ান্ত করা গেলে তাও হবে এক বড় সাফল্য৷

এআই/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়