1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

বন জলবায়ু আলাপ-আলোচনার সমাপ্তি

পরিবেশ আবার ইতিবাচক, সেটুকুই যা লাভ৷ যদিও কার্বন নির্গমন হ্রাসের আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্ভবত এ’বছর আর স্বাক্ষরিত হবে না৷ জাতিসংঘের জলবায়ু সংক্রান্ত বিদায়ী মধ্যস্থ ইভো ডে বোয়ের ‘‘গুরুত্বপূর্ণ প্রগতির'' কথা বলেছেন৷

default

বন বৈঠকে জাতিসংঘের জলবায়ু সংক্রান্ত বিদায়ী মধ্যস্থ ইভো ডে বোয়ের

তবুও, বন'এ গত দু'সপ্তাহের আলাপ-আলোচনায় অনেক দেশের প্রতিনিধিরাই এক নতুন আস্থার কথা বলেছেন, যা নাকি কোপেনহেগেনে গতবছরের শীর্ষবৈঠক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা৷ জাতিসংঘের জলবায়ু সংক্রান্ত বিদায়ী মধ্যস্থ ইভো ডে বোয়ের ‘‘গুরুত্বপূর্ণ প্রগতির'' কথা বলেছেন৷ বিভিন্ন দেশ নাকি পরষ্পরের প্রতি কথা না বলে পরষ্পরের সঙ্গে কথা বলেছে৷ ডে বোয়ের আরো বলেন যে, বন আলাপ-আলোচনায় দৃশ্যত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্থানশীল দেশগুলির অবস্থানের মধ্যে দূরত্ব কিছুটা হ্রাস পেয়েছে - বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য দরিদ্র দেশগুলির প্রতি আর্থিক সাহায্যের ক্ষেত্রে৷ এছাড়া অরণ্য সুরক্ষণ এবং কৃষিকেও ভবিষ্যৎ চুক্তিতে বিবেচনা করার প্রশ্নে প্রগতি অর্জিত হয়েছে৷

তবে অর্থসংস্থান এবং নির্গমন হ্রাসের লক্ষাবলী নিয়ে অচলাবস্থা অপরিবর্তিতই রয়েছে৷ এবং ঠিক এই প্রতিবন্ধকগুলির কারণেই প্রধানত কোপেনহেগেন সম্মেলন ব্যর্থ হয়৷ অর্থের প্রসঙ্গটাই ধরা যাক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন পুনরায় উন্নয়নশীল দেশগুলির প্রতি সাত বিলিয়ন ইউরো ‘ফাস্ট স্টার্ট ফাইনান্স'-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে৷ তবে এর নধ্যে কতোটা ‘নতুন অর্থ' হবে, এবং কতোটা চলতি উন্নয়ন সাহায্যের বাজেটগুলি থেকে ‘রিসাইকল' করা হবে, তা এখনও অজানা৷

Klimaverhandlungen unter dem Dach der Vereinten Nationen UNO

বন বৈঠকের ভেন্যু হোটেল মারিটিম

কার্বন নির্গমন হ্রাসের লক্ষাবলীর ক্ষেত্রে বন সম্মেলনে জাতিসংঘ যে বিবরণ প্রকাশ করেছে, তা অনুযায়ী ২০২০ সাল অবধি নির্গমন বস্তুত বেড়ে চলবে, যদি বর্তমানের বিভিন্ন ফাঁক ও ফাঁকিগুলি বন্ধ না করা হয় এবং বিভিন্ন দেশ তাদের প্রতিশ্রুতির পরিমাণ না বাড়ায়৷ বলতে কি, বিজ্ঞানীদের মতে এই দশকের মধ্যেই নির্গমন ৪০ শতাংশ অবধি কমানো দরকার৷ ওদিকে অভিযোগ উঠেছে যে, শিল্পোন্নত দেশগুলি চীন এবং ভারতের মতো দেশের সদিচ্ছার নিদর্শনগুলিকে স্রেফ ‘‘হজম'' করে ফেলেছে, অথচ তাদের নিজস্ব প্রতিশ্রুতিসমূহ পালন করেনি৷ এছাড়া গোটা প্রক্রিয়াটি স্বেচ্ছারোপিত লক্ষাবলীর দিকে চলেছে, আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নির্গমন হ্রাসের দিকে নয়৷

কাজেই ডিসেম্বরে মেক্সিকোর কানকুন শীর্ষবৈঠকে সাফল্যের আশা বিশেষ উজ্জ্বল নয়৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

সংশ্লিষ্ট বিষয়