1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ফেসবুক

বন্ধুদের মাঝে পণ্য বেচাকেনার সুযোগ করে দিচ্ছে ফেসবুক

ফেসবুকে থাকা বেচাবিক্রি সংক্রান্ত গ্রুপগুলোতে প্রতিমাসে ঢু মারেন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন মানুষ৷ এই চাহিদার কথা মাথায় রেখে এখন পুরো একটি ট্যাবই চালু করেছে ফেসবুকে, যেখানে ফেসবুক বন্ধুরা একেঅপরের মধ্যে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন৷

‘‘ফেসবুক মার্কেটপ্লেস'' নামের নতুন এই সেবার আওতায় একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী তার কাছাকাছি এলাকায় থাকা অন্য একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর পণ্য কিনতে পারবেন৷ এ জন্য অবশ্য বিক্রি করতে আগ্রহী ব্যবহারকারীকে তাঁর পণ্যের ছবি এবং সংক্ষিপ্ত তথ্য সম্ভাব্য মূলসহ প্রকাশ করতে হবে৷ এরপর পছন্দ হলে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ‘অ্যাডহক' ভিত্তিতে সেটা কেনা যাবে৷

এভাবে বেচাকেনার ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে ক্রেতা এবং বিক্রেতা একে অপর সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে আর্থিক লেনদেন করতে পারছেন, কেননা উভয়েরই ফেসবুকে প্রোফাইল থাকতে হবে৷ আর কাছেকাছি এলাকায় বসবাসরতদের মধ্যে বেচাবিক্রি হলে অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচও কম হবে বা হবে না বললেই চলে৷ মোটের উপর ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েরই একটি বিক্রির উপর রেটিং-এর সুযোগ থাকবে৷ ফলে স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হবে৷

তবে আপাতত শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, এবং নিউজিল্যান্ডে মোবাইলে এই সেবা দিচ্ছে ফেসবুক৷ তবে গোটা বিশ্বে এবং ইন্টারনেট ওয়েবসাইটেও ফিচারটি ভবিষ্যতে পাওয়া যেতে পারে৷ এই সেবার বিস্তৃতি নির্ভর করবে চারটি দেশে চালানো ফেসবুকের পরীক্ষামূলক সংস্করণের ফলাফলের উপর৷ আশানুরূপ সাড়া মিললে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসের পরিধি বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

কেউ কেউ প্রশ্ন করতে পারেন, এভাবে ব্যবহারকারীদের মধ্যে কেনাবেচার সুযোগ দিয়ে ফেসবুকের ঠিক কী লাভ হবে? আপাতত বিষয়টি পরিষ্কার বোঝা না গেলেও ফেসবুকে যেভাবে এটাকে গুরুত্ব সহকারে অ্যাপের মধ্যে যোগ করেছে তাতে পরিষ্কার যে বড় কোনো পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির৷ সেটা এমন হতে পারে যে, একজন ব্যবহারকারী তার পণ্যের ভালো ক্রেতা পেতে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে পারে কিংবা কোনো পণ্য প্রমোটও করতে পারে৷ আর এভাবে ফেসবুকের পক্ষেও লাভ করা সম্ভব৷

উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার মার্কেটপ্লেস করে স্থানীয়দের মধ্যে পণ্য কেনাবেচায় উৎসাহ যোগানোর চেষ্টা করেছে ফেসবুক৷ তবে সেসব চেষ্টা তেমন একটা সফল হয়নি৷ তাই নতুন এই উদ্যোগ কতটা সাফল্য পাবে সেটাও দেখার বিষয়৷

সুযোগ পেলে আপনি কি ফেসবুকে পণ্য কেনাবেচা করবেন? লিখুন নীচের মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন