1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

বন্ধুদের কাছে ডিডাব্লিউ-র খোলা চিঠি

১ অক্টোবর থেকে ওয়েবসাইটে এসেছে আমূল পরিবর্তন, যা আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন৷ আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা৷ থাকছে জার্মান ও ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গিও৷

নতুন কাঠামোর এই ওয়েবসাইট ও তার বিষয়বস্তু নিয়ে আমাদের নতুন ‘কনসেপ্ট' সম্পর্কে আমরা চাই আপনাদের সক্রিয় ভূমিকা৷ প্রিয় পাঠক, একমাত্র আপনাদের মতামত, পরামর্শ আর গঠনমূলক সমালোচনাই এই ওয়েবসাইটকে আরো অর্থবহ ও সুন্দর করতে পারে৷ আসলে যাঁদের জন্য আমাদের সব আয়োজন, তাঁদের অংশগ্রহণ ছাড়া কখনো এটা পূর্ণতা পেতে পারে না৷ তাই পাঠকদের কাছে অনুরোধ, জানিয়ে দিন আমাদের নতুন আঙ্গিকের ওয়েবসাইট সম্পর্কে আপনাদের মূল্যবান মতামত৷

তাছাড়া আপনারা সব সময়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতা করার প্রস্তাব দিয়ে থাকেন৷ এবার সে সুযোগও এসেছে৷ কারণ আমাদের ভাবনায় রয়েছে নতুন ধরণের কিছু প্রতিযোগিতার আয়োজন করার বিষয়৷ যে বিষয়গুলো আপনাদের আন্দোলিত করে – যেমন ধর্মীয়, রাজনৈতিক বা সামাজিক বিষয়ের ছবিসহ মন্তব্য এবার থেকে আপনারা দিতে পারেন সরাসরি আমাদের ওয়েবসাইটে৷ আর আমরা সেসব ছবি নিয়ে তৈরি করতে পারি পাঠকদের পাঠানো ছবিরঘর৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বলা বাহুল্য আপনাদের পাঠানো ছবি, মন্তব্য, সমালোচনা সবই সুন্দরভাবে স্থান পাবে আমাদের এই নতুন সাইটটিতে৷ তবে আপনাদের মন্তব্য পাতায় দেখার জন্য আমরা অবশ্যই ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে নেব৷ তাই এই প্রক্রিয়া শুরুর আগে, এ সব ব্যাপারে আমরা আপনাদের পরামর্শ বা প্রস্তাব জানতে চাইছি৷ কারণ তার ওপর ভিত্তি করেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে৷

প্রিয় বন্ধুরা, ডয়চে ভেলে যে উচ্চ মানের সাংবাদিকতা চায় তার অবস্থান আপনারা অবশ্যই বুঝতে পারছেন৷ সমসাময়িক যে বিষয়গুলো নিয়ে সামাজিক গণমাধ্যমে তোলপাড় হয় তেমনই একটি বিষয়, যেমন বাংলাদেশের জামায়াতের সঙ্গে ভারতের তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্ক এবং জিহাদিদের প্রতি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সমর্থন নিয়ে টুইটার বিশ্ব তোলপাড়৷ ‘তৃণমূল জিহাদ' এবং ‘জিহাদি দিদি' হ্যাশট্যাগে এই নিয়ে ইতিমধ্যেই মন্তব্য করেছেন অনেকে৷ সেই সব মতামত নিয়ে ‘জিহাদি দিদির' কারণে ‘পশ্চিমবঙ্গ জিহাদিদের আখড়া' শিরোনামের লেখা তুলে ধরা হয়েছিল আমাদের ওয়েবসাইটে৷ যা পড়ে ই-মেল এবং ফেসবুকে পাঠক বন্ধুরা মতামত পাঠিয়েছেন৷ তাঁদের কয়েকজনের মতামতই আজ এখানে তুলে ধরছি৷

দিপু লিখেছেন, ‘‘দিদি, আপনি বাঙালি হয়ে কি করে বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে কাজ করেন?''

শেখর সরকারের মন্তব্য, ‘‘এটা বিশ্বাস করতেই কেমন লাগে যে তিনি নিজের স্বার্থে দেশের ক্ষতি করতেও পিছ পা হন না, কত স্বার্থপর! (মূল বক্তব্যটি ছিল ইংরেজি ভাষায়)''

শাহ আলম লিখেছেন, ‘‘প্রত্যেক দেশে এ রকম দিদি, দাদা, মাদার, ফাদাররা থাকেন বলেই সারা দুনিয়ায় এদের আখড়া তৈরি হয়৷''

সেলিম জামানের মন্তব্য, ‘‘উনি যে জামায়াতি ইসলামী এবং অন্যান্য জিহাদি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, বর্তমান ঘটনাবলীই তাই প্রমাণ করে৷''

Mamata Banerjee indische Politikerin

মমতা বন্দোপাধ্যায়

শুভ্রকিশোর বসু মনে করেন, ‘‘মমতা যে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক লাভের আশায় বিপজ্জনকভাবে মুসলিম তোষণ করছেন, সেটা সবাই জানেন৷ তবে এতে মুসলিম ভাই-বোনেদের কতটা সার্বিক কল্যাণ হবে তা বলা মুশকিল৷ কিন্তু তাঁর এই বিপজ্জনক খেলা যে দেশকে এক অভূতপূর্ব বিপদের সামনে দাঁড় করিয়ে দেবে, তা নিশ্চিত৷ কারণ সন্ত্রাসবাদীদের আসলে কোনো ধর্ম নেই, দেশ নেই৷ শুধু মনে আদিম হিংসা আছে দুর্বলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার৷ আর বর্তমানে যে দুর্বলতার নাম মমতা৷ তাই এই বিপদের দায় তো উনাকে নিতেই হবে৷''

অন্যদিকে পাঠক মাহফুজ আদনান ভিন্নমত পোষণ করেছেন৷ তাঁর বক্তব্য, ‘‘আমি মনে করি মমতা একজন উদারপন্থি রাজনীতিক৷ মৌলবাদী, উগ্রপন্থি ,সাম্প্রদায়িক বিজেপির কাছেই তিনি ‘জিহাদি দিদি' হিসাবে পরিচিতি পেলেও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি পরম শ্রদ্ধেয়৷ আমি এও মনে করি যে, মমতার ‘ইমেজ' নষ্ট করার জন্যই তাঁকে নিয়ে এ সব মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে৷''

- ধন্যবাদ সবাইকে মতামত জানানোর জন্য৷ আমাদের ওয়েবসাইটের নতুন আঙ্গিক সম্পর্কে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু! প্রিয় বন্ধুরা, আপনাদের মতামত, পরামর্শ, প্রস্তাবের অপেক্ষায় রইলাম৷ আপনাদের সহযোগিতাই যে ওয়েবসাইটের বৈচিত্র্য আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে! সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের চিঠি শেষ করছি৷

ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগ