1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

বড়মাপের ভূমিকম্পের প্রভাব বহুদূরের দেশে যেতে পারেনা

জাপানের মত বিধ্বংসী ভূমিকম্প কি বিশ্বের অন্য জায়গাতেও ভূমিকম্পের কারণ হয়ে উঠতে পারে? এ প্রশ্নের জবাবে বিজ্ঞানীরা বলছেন ‘না’৷ কিছুটা হলেও স্বস্তি রয়েছে এই জবাবে৷

default

জাপান৷ নীচে, ভূমিকম্পের আগে৷ ওপরে, ভূমিকম্পের পরে৷

গত ১১ মার্চ জাপান যে সুনামি এবং ভয়াবহ মাত্রার ভূমিকম্পের দুর্বিপাকে পড়েছিল, সেরকম পরিস্থিতি ভবিষ্যতে কোথাও হলে, তার প্রভাব বিশ্বের অন্যত্রও কী পড়বে? প্রাথমিকভাবে বিজ্ঞানীরা বলছিলেন, হতেই পারে সেরকম৷ কারণ, ভূমিকম্পের ফলে ভূস্তরে যে প্রভাব সৃষ্টি হয়, তার ফলে অন্য মহাদেশেও কেঁপে উঠতে পারে মাটি৷

কিন্তু, মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের গবেষকদলের প্রধান টম পারসনস এবং তাঁর দলের গবেষণার ফলাফল কিছুটা আশার বাণী শুনিয়েছে রবিবার৷ পারসনস এবং তাঁর টেক্সাস এল পাসো বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মী আরোন ভেলাসো বলছেন, মোট ত্রিশটি এ ধরণের ভূমিকম্পের যাবতীয় রিপোর্ট তাঁরা খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছেন৷ তারপরে তাঁদের সিদ্ধান্ত, রিখটার স্কেলে সাত বা তার ওপরের মাপের ভূমিকম্প কোথাও হলে সচরাচর তারপর একাধিক ছোটমাপের ভূমিকম্প হয়ে থাকে৷ তবে সেগুলো সবই হয় ওই যেখানে বড় ভূকম্পন হয়েছে, তার এলাকার মধ্যেই৷ ঠিক যেমনটা দেখা গেছে জাপানে৷

অথচ প্রথমে ভাবা হয়েছিল, এত বড়মাপের কোন ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব হয়তো অন্যত্রও, বহু দূরের কোন মহাদেশেও পড়তে পারে৷ অথচ, মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের গবেষণায় কিন্তু বোঝা গেছে, ব্যাপারটা অতটা সহজ নয়৷ অর্থাৎ, বিশ্বের কোথাও বড়মাপের ভূমিকম্পের পর দূর দূরান্তের দেশগুলোর আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ সেভাবে নেই৷

অতএব এই নতুন খবর অন্তত একটা দুশ্চিন্তা দূর করেছে৷ কিন্তু, পাশাপাশি গবেষণা এটাও বলেছে যে, কোন জায়গায় সাত বা তার ওপরের মাপের ভূমিকম্প হলেই সেই এলাকার বাসিন্দাদের তৈরি থাকতে হবে আরো কিছু নতুন ভূমিকম্পের জন্য৷ কারণ, ভূ-স্তর কেঁপে ওঠার পর তার স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসতে বেশ অনেকটাই সময় লেগে যায়৷ সুতরাং, বিপদ কেটে গেছে ভাবলে ভুল হবে৷

বাস্তবিক, কোথায় কোন প্রাকৃতিক বিপদ কীভাবে ওঁত পেতে আছে, তার সামান্য খবর রাখতে পারলেই অনেক দুর্বিপাক থেকে রক্ষা পেত মানুষ৷ অথচ, তা কিন্তু সহজে হওয়ার নয়!

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

সম্পাদনা: জান্নাতুল ফেরদৌস

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়