1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বড়দিনে ‘শুধু একবার বলো ভালোবাসি'

বছর ঘুরে আবারো এসে গেল বড়দিন৷ আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা৷ কিন্তু এই ক'টা ঘণ্টা কিছুতেই যেন পার হতে চাইছে না৷ ছোট্ট মেয়েটি তাই বাইনোকুলারে চোখ রাখলো৷ দূরের চাঁদটাকে কাছে, আরো কাছে টেনে নিল সে৷ হঠাতই তার চোখ পড়লো বুড়োটার দিকে৷

আরে চাঁদে তো বুড়ি নয়, বাস করে এক বুড়ো! ছোট্ট একটা কুড়েঘরে, একদম একা৷ কথা বলার কেউ নেই – না আত্মীয়স্বজন, না কোনো বন্ধু৷ তাই একা একাই ঘুরে বেড়ায় বুড়ো, বেঞ্চে বসে একাই সজল নয়নে তাকিয়ে থাকে আমাদের এই পৃথিবীর দিকে...৷

মেয়েটা ভাবে, আহা রে, বড়দিনেও একা চাঁদের বুড়ো? এমন একটা দিনেও ওর ওখানে কোনো হৈচৈ নেই, নেই আনন্দ, খাওয়া-দাওয়া৷ তাহলে তো ওকে উপহার দেয়ারও কোনো মানুষ নেই৷ না, এটা তো হতে পারে না...৷ উপহার ছাড়া বড়দিন আবার হয় নাকি?

কিন্তু চাঁদের বুড়োর জন্য উপহার আমাদের এই ছোট্ট বন্ধুটি পাঠাবে কী করে? মেয়েটা ভাবতে থাকে৷ সাদা কাগজে ছবি একে, লেখে ‘ভালোবাসি'৷ তারপর চাঁদের দিকে চিঠিটা ধরে দাঁড়ায়৷ কিন্তু বুড়ো ওকে দেখতেই পারে না৷ এবার কাগজ দিয়ে একটা প্লেন বানায় মেয়েটি, ছুড়ে দেয় চাঁদের দিকে৷ তীর-ধনুক দিয়েও চেষ্টা করে তার চিঠিটা চাঁদের বুড়োকে পাঠাতে৷ কিন্তু কিছুতেই কিছু হয় না৷ বড্ড মন খারাপ হয়ে যায় মেয়েটার৷

ওদিকে বাড়িতে এর মধ্যেই বড়দিনের আনন্দ শুরু হয়ে গেছে, শুরু হয়ে গেছে ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, উপহার দেয়া৷ ....আরে, বাবা যে এবার তাকে আরো শক্তিশালী একটা দুরবিন দিয়েছে!

মাথায় একটা বুদ্ধি আসে মেয়েটির৷ নতুন দুরবিনটা একটা বাক্সে পুরো অনেকগুলো গ্যাসবেলুন দিয়ে উড়িয়ে দেয় সে৷ আর দেখতে দেখতে সেটা ঠিক পৌঁছে যায় চাঁদের বুড়োর কাছে৷ কী আনন্দ৷ পৃথিবীর ছোট্ট বন্ধুর কাছে থেকে উপহার পেয়ে হাসি ফোটে মুখে৷ বাক্স থেকে দুরবিনটা বের করে চোখ রাখতেই, ধীরে ধীরে বড়দিনের রঙে রাঙা পৃথিবীটা তার চোখের সামনে চলে আসে৷ আর তারপর খুঁজতে খুঁজতে ছোট্ট বন্ধুটিকেও দেখতে পেয়ে যায় আমাদের চাঁদের বুড়ো৷ চোখে জল আসে, বলে ‘আমিও ভালোবাসি'৷

বন্ধুরা, হোক ‘জন লুইস’ কোম্পানির বিজ্ঞাপন৷ তবু ভিডিও-টা দেখলেন? ইউটিউবে #ManOnTheMoon নামের এই ভিডিও-টি দেখে আপনার কাকে বলতে ইচ্ছে করছে ‘ভালোবাসি’?

নির্বাচিত প্রতিবেদন