1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

স্বীকৃতি

বছরের সেরা ‘#মি টু’: টাইম ম্যাগাজিন

যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে সারা বিশ্বে আলোড়ন তোলা ‘#মি টু’ ক্যাম্পেইন এবারের টাইম ম্যাগাজিনের ২০১৭ সালের সবচেয়ে প্রভাব বিস্তারকারীর খেতাব জিতেছে৷

বুধবার টাইম ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়৷ এডিটর-ইন-চিফ এডওয়ার্ড ফেলসেনথাল যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে এ প্রচারণায় অংশগ্রহণকারীদের ‘দ্য সাইলেন্স ব্রেকারস’ উল্লেখ করে বলেন, ‘‘কয়েক দশকের মধ্যে সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে এবং এর শুরু শত শত নারী, কিছু ক্ষেত্রে পুরুষও যখন সাহস করে এগিয়ে এসে তাদের ব্যক্তিগত গল্প বলা শুরু করেছে৷’’ 

কৃষ্ণাঙ্গ নারী তারানা বুর্কে ২০০৬ সালে যৌন নির্যাতনবিরোধী ‘মি টু’ আন্দোলন শুরু করেছিলেন৷ এরপর হলিউডের প্রযোজক হার্ভে উইনস্টেইনের যৌন কেলেঙ্কারির খবর ফাঁসের সূত্র ধরে মার্কিন অভিনেত্রী অ্যালিসা মিলানো ‘মি টু’ হ্যাশট্যগের এই প্রচারণা শুরু করেন আবারো৷ যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির ঘটনা প্রকাশ করতে নারীদের উৎসাহিত করতে এ প্রচারণা দ্রুত জনপ্রিয় হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে৷ একসময় যৌন নিপীড়নবিরোধী এই প্রচারণায় নারীদের পাশাপাশি যোগ দেয় পুরুষেরাও৷ সামাজিক মাধ্যমে ভাগাভাগি করেন তাঁদের যৌন হয়রানির কথাও৷ তারানা বুর্কে বলেন, ‘‘আমি কখনোই ভাবিনি যে, সারা পৃথিবীকে বদলে দেবার মতো কিছু করছি৷ আমি শুরু আমার নিজের সমাজকে পাল্টাতে চাইছিলাম৷ এটা কেবল একটা মুহুর্ত নয়, এটা একটা আন্দোলন৷ এখন সত্যিকার অর্থেই কাজ শুরু হয়েছে৷’’

এর আগে ২০১৭ সালের ‘পার্সন অব দ্য ইয়ার’-এর জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে ১০ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করে টাইম ম্যাগাজিন৷ এবার রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তার পরপরই নাম আছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং৷ এছাড়াও সেরাদের তালিকায় আছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন, ওয়ান্ডার ওম্যানের নির্মাতা প্যাটি জেনকিনস ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধের সোচ্চার কর্মী ফুটবল খেলোয়ার কলিন কপারনিক৷

টাইম ম্যাগাজিন ১৯২৭ সাল থেকেই ‘পার্সন অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা দিয়ে আসছে৷ বছরজুড়ে সংবাদমাধ্যমে সবচেয়ে প্রভাবশালী, ভালো বা মন্দ, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা আন্দোলনকে নির্বাচন করে সংবাদমাধ্যমটি৷

এলিজাবেথ শুমাখার/ আরএন

নির্বাচিত প্রতিবেদন