1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বঙ্গ আমার, জননী আমার, ধাত্রী আমার, আমার দেশ...

...কেন গো মা তোর শুষ্ক নয়ন, কেন গো মা তোর রুক্ষ কেশ৷ কেন গো মা তোর ধুলায় আসন, কেন গো মা তোর মলিন বেশ৷ – দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কথাগুলো লেখেন দেশমাতৃকাকে স্মরণ করে, কিন্তু কোথায় যেন দেশ, মা এবং ধাত্রী এক হয়ে গেছে এ কবিতায়৷

যিনি গর্ভধারণ করেন তিনি যেমন মা, তেমনি যিনি সেই গর্ভধারণ এবং বাচ্চা প্রসবে সাহায্য করেন, জন্মের পর থেকে প্রতিনিয়ত আবছা হতে থাকা সেই ধাত্রীও কিন্তু মায়ের চেয়ে কিছু কম নয়৷ তাই তো যুগ যুগ ধরে মা এবং সন্তানদের সেবা দিয়ে আসা ধাত্রী বা দাই মায়েদের স্বীকৃতির জন্য বেছে নেয়া হয়েছে মে মাসের পাঁচ তারিখটিকে৷ এ দিন আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস৷

১৯৯২ সালের ৫ই মে এই দিনটি আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়৷ প্রতিবছর এই দিনটি পালনের মধ্য দিয়ে ‘মিডওয়াইফ’ বা ধাত্রীরা মনে করিয়ে দিতে চান ধাত্রীবিদ্যা এবং পেশা হিসেবে দাই মায়েরা যে কাজ করেন, তার গুরুত্ব কতখানি৷

এ দিন তাঁরা একে-অপরের সাথে যোগাযোগ করেন, অন্যদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে নিজেদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তাঁরা৷

বিশ্বায়নের এই যুগে জন্ম পরবর্তী সময়েও দাই মায়ের প্রয়োজন৷ অভিজ্ঞ হাতে তাঁরাই মায়ের হাতে তুলে দেন সন্তান, শিখিয়ে দেন সন্তান লালনের খুঁটিনাটি, শুশ্রূষা করেন প্রসব পরবর্তী জটিলতার, মায়ের আশা-আকাঙ্ক্ষা, অনিশ্চয়তা, এমনকি অবসাদেরও দাওয়াই রয়েছে তাঁদের কাছে, রয়েছে পরামর্শ৷ আর তাই তো ‘বিশ্বে ধাত্রীদের প্রয়োজন আগের তুলনায় বেড়েছে' – এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের নানান দেশে পালন হচ্ছে এই দিনটি৷

বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই৷ অন্যান্য দেশের মতো আজ বাংলাদেশে পালন হচ্ছে আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস ২০১৬৷ এ উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, ‘‘বাংলাদেশ মাতৃমৃত্যু রোধ সংক্রান্ত জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে৷'' তাঁর কথায়, ‘‘বিদেশে বাংলাদেশের ধাত্রীদের বিপুল চাহিদা রয়েছে৷ কেউ চাইলে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে গিয়েও এ পেশায় অর্থ উপার্জন করতে পারেন৷''

ডিজি/এসবি

বন্ধু, আপনার কি নিজের দাই মায়ের কথা মনে পড়ে? বা কোনো ধাত্রীকে কি আপনি চেনেন? বলুন তাঁর কাহিনি, লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন