1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

বকরের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করতে তদন্ত কমিটি গঠন

সন্দেহভাজন সিরীয় জঙ্গি জাবের আল বকর পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল৷ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজতে তাই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে৷

অবশ্য জার্মানির স্যাক্সনি রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী আবারও দাবি করেছেন, তাঁর রাজ্যের পুলিশ জাবের আল বকরকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেনি৷ স্যাক্সনি নিরাপত্তাবাহিনীর হেফাজতে কারাগারে থাকা অবস্থায়ই আত্মহত্যা করেন আল বকর৷ কী কারণে সন্দেহভাজন জঙ্গি ও সিরীয় শরণার্থী জাবের আল বকর আত্মহত্যা করেছেন, তা অনুসন্ধান করছে চার সদস্যের এই স্বতন্ত্র তদন্ত কমিটি৷ তাঁরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন, এক্ষেত্রে নিরাপত্তাবাহিনীর কী কী ভুল হয়েছিল৷ চার সদস্যের তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক বিচারপতি হার্বার্ট ল্যান্ডাও৷

লাইপজিশের কারাগারে ২২ বছরের ঐ সিরীয় তরুণের আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে৷ ধরা পড়ার আগে কেমনিৎসে অভিযান চালিয়ে আল বকরকে গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল জার্মানির পূর্বের ঐ রাজ্যের পুলিশ৷ গোয়েন্দা পুলিশের কাছে খবর ছিল যে, জাবের জার্মানিতে বার্লিন বিমান বন্দরে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে৷ তাই গোড়া থেকেই জাবেরের উপর নজর রাখা হচ্ছিল৷

স্যাক্সনি রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টাইনসল' তিলিচ

স্যাক্সনি রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টাইনসল' তিলিচ

সোমবার নতুন তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে৷ এ বছরের শেষ নাগাদ কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারবে বলে আশা করছে৷ তদন্ত কমিটিতে সাবেক বিএফভি প্রেসিডেন্ট হাইন্স ফ্রম এবং কারা-মনোবিদ ক্যাথারিনা বেনেফেল্ড কার্সটেন ও ব্র্যান্ডেনব্যুর্গ পুলিশ প্রধান য়্যুর্গেন ইয়াকবও রয়েছেন৷

গত ৮ অক্টোবর ৫০০ গ্রাম বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছিল জাবর আল বকরের অ্যাপার্টমেন্টে৷ ৩৬ ঘণ্টা পরে তাঁকে লাইপজিশ থেকে আটক করা হয়৷ ১২ অক্টোবর আল-বকর নিজে জেলখানায় টি-শার্ট দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে৷ তার মৃত্যুর আগে যে মনোবিদ আল বকরের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন তিনি জানিয়েছেন, আল বকরের আত্মহত্যার মনোভাব তার মধ্যে ছিল, কারণ সে জেলখানায় যাওয়ার পর থেকে খাবার ও পানীয় বর্জন করেছিল৷

স্যাক্সনি রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টাইনসল' তিলিচ সোমবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘‘এক্ষেত্রে সরকার বা নিরাপত্তাকর্মীদের কোনো ব্যর্থতা নেই৷ আর এটাকে ব্যর্থতা ভাবা হলে বিশ্বের অন্য দেশগুলোর দিকেও আমাদের তাকাতে হবে৷'' তবে তিনি এ-ও বলেন, মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে৷ তিনি চান তদন্ত কমিটি সেই ভুলগুলো খুঁজে বের করুক৷ তাহলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারবেন৷ তবে বকরের পরিবারের আইনজীবী শনিবার জার্মান গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘আবু বকরের মৃত্যুর জন্য জার্মান বিচার ব্যবস্থাকেই দায়ী করেছে তার পরিবার৷''

বকরের মৃত্যুর ঠিক পরেই ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দামেস্ক থেকে তার ভাই জানিয়েছিলেন, তিনি মনে করেন পুলিশ তার ভাইকে হত্যা করেছে৷ তবে হামলা পরিকল্পনায় জড়িত সন্দেহে খলিল নামে এক ব্যক্তি এখনও আটক রয়েছে৷ পুলিশের ধারণা, হামলার বিস্ফোরক ও রাসায়নিক দ্রব্য কিনতে বকরকে সাহায্য করেছিল খলিল৷

বেন নাইট/এপিবি

আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়