1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বই ধার করে পড়ার সংস্কৃতি

মিয়ানমারে সামরিক শাসন আসার আগে শিক্ষিতের হার ছিল দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি৷ সেসময় থেকেই দেশটিতে বই ধার করে পড়ার সংস্কৃতি চালু রয়েছে৷ তবে দিন পাল্টেছে৷

default

বই ধার দেয়ার এই দোকানটি আগে জমজমাট ছিল৷ আর এখন...বোঝাই যাচ্ছে

এখন আর মানুষ বই পড়তে ততটা আগ্রহী নয়৷ পাঠকরা এখন হয়ে যাচ্ছেন দর্শক৷ টেলিভিশন আর সিডি-ডিভিডিতে ছায়াছবি বা অন্য কিছু দেখতেই তাঁরা এখন বেশি আগ্রহী৷ অর্থেরও এখানে একটা বড় ভূমিকা রয়েছে বলে জানান ইয়াঙ্গনের অধিবাসী ও তিন সন্তানের জনক টিন হিটভে৷ তিনি বলেন, ‘‘২০০ কিয়াত খরচ করে একটা ডিভিডি ভাড়া করলে পুরো পরিবার মিলে সেটা উপভোগ করা যায়৷ কিন্তু প্রত্যেকের জন্য বই ভাড়া নিতে লাগবে ৫০০ থেকে ১০০ কিয়াত৷''

সমৃদ্ধ ইতিহাস

১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীন হয়৷ বই ধার করে পড়ার সংস্কৃতিটা চালু হয় তার আগে থেকেই৷ আর্থিক কারণে সেসময় বই কিনে পড়াটা ছিল বিলাসী একটা ব্যাপার৷ শিক্ষার্থীরাও পড়ালেখার জন্য প্রয়োজনীয় বই কিনতে পারতেন না৷ তাই শিক্ষকরা তাদের বই ধার দিতেন৷ এরপর ধীরে ধীরে চায়ের দোকানে চা পানের সময় কিংবা নৌকা ও ফেরি পারাপারের সময় বই ধার দেয়ার চল শুরু হয়৷ এভাবে একসময় বই ভাড়া দেয়ার ব্যবসাটা জমজমাট হয়ে ওঠে৷

৬৯ বছরের উ চো ঐসময় একটি বইয়ের দোকান দিয়েছিলেন৷ কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন হওয়ায় তাঁকে এখন দোকানের একটা অংশ ভিডিও গেম অপারেটরের কাছে ভাড়া দিতে হয়েছে৷ এছাড়া চাহিদা কমে যাওয়া ইদানীং বইয়ের দোকানও খুলছেন সন্ধ্যার পর৷ উ চো বলেন, ‘‘আমি সারাদিনই দোকান খোলা রাখতে চাই৷ কিন্তু এখন আর সেই চাহিদা নেই৷''

নতুন উদ্যোগ

তরুণদের বই পড়তে উৎসাহী করে তুলতে সীমিত পর্যায়ে হলেও একটা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার৷ এ জন্য ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে৷ ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষরা এখন সহজেই বই পড়তে পারছেন৷

জেডএইচ/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন