1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

বইয়ের বাজারে আসছে উইলিয়াম-কেট প্রেম কাহিনী

অনেক দিন পর ব্রিটিশ রাজপরিবার আবারও ব্যস্ত হয়ে উঠেছে বিয়ের আয়োজনে৷ আসছে এপ্রিলে প্রিন্স উইলিয়ামের বধূ হিসেবে বরণ করে নেওয়া হবে কেট মিডলটনকে৷ এদিকে এই রাজকীয় আয়োজন নিয়ে কিন্তু প্রকাশকরাও পিছিয়ে নেই৷

default

মাত্র দশদিন আগে বান্ধবী কেটকে বিয়ের আংটি পরানোর কাহিনী সবাইকে জানিয়েছেন প্রিন্স উইলিয়াম৷ যদিও গত মাসে কেনিয়াতেই নাকি এই কাজ সেরে ফেলেছেন বলে জানা গেছে৷ এবার ব্রিটিশ রাজপরিবারের আরও একটি ঘটনা শোনা গেল৷ দুইজনের প্রেম কাহিনী নিয়ে নতুন বই প্রকাশিত হওয়ার খবর৷ ‘উইলিয়াম অ্যান্ড কেট: আ রয়্যাল লাভ স্টোরি' নামে নতুন বইটি এই সপ্তাহেই বাজারে আসছে৷ বইটি লিখেছেন ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড সান এর সাংবাদিক জেমস ক্লেঞ্চ৷ দীর্ঘদিন ধরে ব্রিটিশ রাজপরিবারের নানা খবরাখবর নিয়ে লেখালেখি করে আসছেন জেমস ক্লেঞ্চ৷ এবার তাঁর কলমেই উঠে আসছে কীভাবে সাধারণ পরিবারের একজন মেয়েকে ভালোবেসে ফেললেন প্রিন্স উইলিয়ামস৷ জানা গেছে, বইটিতে থাকছে এই দুজন ছাড়াও রাজপরিবারের অনেক ছবি৷ আর এসব ছবি তুলেছেন রাজপরিবারের দীর্ঘদিনের চিত্রগ্রাহক আর্থার অ্যাডওয়ার্ডস৷

Flash-Galerie Prinz William Kate Middleton

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম এখন সরব প্রিন্স উইলিয়ামের বিয়ে নিয়ে

উল্লেখ্য, উইলিয়ামস আর কেটের পরিচয় হয় সেই ২০০১ সালে যখন তারা দুজনই স্কটল্যান্ডের সেইন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিলেন৷ এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, তবে মাঝখানে ২০০৭ সালে খানিকটা সময়ের জন্য মান অভিমান৷ ফলে কিছুদিনের জন্য বিচ্ছেদ৷ তবে পুরনো প্রেম জোড়া লাগতে বেশি সময় লাগেনি৷ আর এই দফায় একেবারে পূর্ণতা পেতে যাচ্ছে বিয়ের মাধ্যমে৷

এদিকে জানা গেছে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের এই প্রেম কাহিনী নিয়ে নাকি আরও বই বের হচ্ছে৷ তবে এর মধ্যে যেটি উল্লেখযোগ্য তা হলো প্রখ্যাত সাংবাদিক অ্যান্ড্রু মর্টনও নাকি একটি বই বের করছেন৷ মনে আছে অ্যান্ড্রু মর্টনকে? ১৯৯২ সালে ‘ডায়ানা: হার ট্রু স্টোরি' লিখে যিনি গোটা ব্রিটিশ রাজপরিবারকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন৷ প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে সংসারের আড়ালে প্রিন্সেস ডায়ানার দুঃখের জীবন তুলে এনেছিলেন এই অ্যান্ড্রু মর্টন৷ এবারও কি তেমন কিছু লিখতে যাচ্ছেন তিনি?

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন