1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ফ্রেন্ডলিগুলোকে ‘‘ননসেন্স’’ বলেছিলেন রুমেনিগে

বুধবারের ফ্রেন্ডলির মধ্যে জার্মানি আর প্যারাগুয়ের খেলাও আছে৷ তবে বায়ার্নের টিয়াগো আলকান্তারা আর খাভি মার্তিনেস-কে যে স্পেনের জাতীয় দলের সঙ্গে সুদূর দক্ষিণ অ্যামেরিকায় খেলতে যেতে হবে, তাতে খুশি নন বায়ার্ন মিউনিখের সিইও৷

বলতে কি, জার্মান কোচ ইওয়াখিম ল্যোভ-এর বিশ্বকাপ মিশন শুরুই হচ্ছে প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে বুধবারের ফ্রেন্ডলি দিয়ে৷ চ্যাম্পিয়নস লিগের খেতাবধারী বায়ার্ন এবং ফাইনালিস্ট ডর্টমুন্ড থেকেই জাতীয় একাদশের অধিকাংশ প্লেয়ার নিচ্ছেন ল্যোভ৷ সব মিলিয়ে তাঁর যে টিম, তাতে জার্মানি যে আগামী বছর ব্রাজিলের বিশ্বকাপে সোনা জেতার আশা করতে পারে, সেটা বিশেষজ্ঞরাও বলছেন৷

জার্মানি পরের মাসেই তার কোয়ালিফিকেশন চূড়ান্ত করে নিতে পারে৷ কাইজার্সলাউটার্ন-এ বুধবারের খেলাটিকে ল্যোভ আগামী বিশ্বকাপের ছোটখাটো টেস্ট হিসেবেই গণ্য করবেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই৷ ল্যোভ গত সোমবারেই জার্মান ‘কিকার' ম্যাগাজিনকে বলেছেন: ‘‘আমাদের অভিজ্ঞ প্লেয়ার, তরুণ প্লেয়ার আর প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন উঠতি প্রতিভাদের ভালো সংমিশ্রণ আছে৷ গত দুই বছরে টিমের ‘গভীরতা' বেড়েছে, এছাড়া (মারিও) গ্যোৎসে এবং (ইলকাই) গ্যুন্ডোগান-এর মতো প্লেয়াররা দলের কোয়ালিটি বাড়িয়েছে৷''

সব মিলিয়ে ল্যোভ যেটা বলার চেষ্টা করছেন, সেটা সম্ভবত এই যে, তাঁর স্কোয়াড মোটামুটি তৈরি৷ অন্যদিকে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, বাকি প্লেয়ারদের এখনও স্কোয়াডে ঢোকার সুযোগ আছে৷ সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে, ডর্টমুন্ডের গোলরক্ষক রোমান ভাইডেনফেলার তাদের একজন ও ম্যোনশেনগ্লাডবাখ-এর মিডফিল্ডার মাক্স ক্রুজে আরেকজন৷ সপ্তাহান্তে জার্মান জাতীয় একাদশের ম্যানেজার অলিভার বিয়ারহফ লেভারকুজেনের স্ট্রাইকার স্টেফান কিসলিং-এর নাম তুলেছেন: কিসলিং গত মরসুমে বুন্ডেসলিগার টপ স্কোরার ছিলেন, যদিও ল্যোভ আপাতত তাকে বিশেষ সুনজরে দেখছেন না৷

দুনিয়া জুড়ে ফ্রেন্ডলি

অবশ্য বুধবার শুধু জার্মানির ফ্রেন্ডলি নয়৷ বলতে কি, এ দিন গোটা পঞ্চাশেক ফ্রেন্ডলি খেলা হচ্ছে, কেননা এটাই নাকি চলতি মরসুমের প্রথম আন্তর্জাতিক খেলার তারিখ৷ এ দিন ব্রাজিল যাচ্ছে সুইজারল্যান্ডে; ইংল্যান্ড আর স্কটল্যান্ডের ফ্রেন্ডলি (!) ওয়েম্বলে'তে; সুইডেন আর নরওয়ের খেলা প্রায় পাড়ার দাঙ্গা, তবে সত্যিই ফ্রেন্ডলি; বেলজিয়াম আর ফ্রান্সের খেলা ব্রাসেলসে; সবার চোখ কিন্তু থাকবে ইটালি আর আর্জেন্টিনার খেলার দিকে৷ দুটোই ওয়ার্ল্ড ক্লাস টিম, তায় সুদীর্ঘ ১২ বছর পরে তারা আবার মুখোমুখি হচ্ছে৷

আর ফ্রেন্ডলি বলতেই যে পাড়ার ম্যাচ, এমন তো নয়৷ আর্জেন্টিনাকে সাগর পার হয়ে রোমে আসতে হচ্ছে৷ ওদিকে উরুগুয়ে-কে আধা দুনিয়া পার হয়ে জাপানে যেতে হবে৷ স্পেনও যাচ্ছে অতলান্তিক পার হয়ে ভ্যাপসা গরমের জায়গা গুয়াইয়াকিল-এ, ইকুয়োডোর-এর সঙ্গে খেলতে৷ তাতে জার্মানির কারো কোনো আপত্তি থাকার কথা ছিল না, যদি না স্পেন বায়ার্নের দুটো প্লেয়ারকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতো: টিয়াগো আলকান্তারা ও হাভি মার্তিনেস৷ ওদিকে বায়ার্নের সিইও কার্ল-হাইনৎস রুমেনিগে তো ইতিপূর্বেই এই ফ্রেন্ডলিগুলোকে ‘‘ননসেন্স ম্যাচ'' আখ্যা দিয়ে বসে আছেন৷

এসি / এসবি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন